ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
নিকুঞ্জ-১ ও জামতলা এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান আধার হিসেবে ব্যবহৃত এই জলাশয়টি ওয়াসার স্থাপিত স্টর্ম স্যুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে অতিবৃষ্টির পানি সরিয়ে নেয়। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, জলাশয়টি ভরাট হলে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এদিকে সরকার সদ্য জারি করা ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ জলাশয় ভরাট ও অপরিকল্পিত নির্মাণকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। নতুন আইনে প্রথমবার অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি পুনরাবৃত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কোনো রাজউক কর্মকর্তা জেনেশুনে অবৈধ নির্মাণে সহায়তা করলে বা নীরব থাকলেও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, নিকুঞ্জ-১ সংলগ্ন জলাশয় দখলের ঘটনা নতুন অধ্যাদেশের কার্যকারিতা যাচাইয়ের একটি বড় পরীক্ষা হতে পারে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে রাজধানীর পরিকল্পিত নগরব্যবস্থা ও পরিবেশ সুরক্ষা চরম হুমকির মুখে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, আদালতের আদেশ ও নতুন আইনের আলোকে অবিলম্বে জলাশয় ভরাট বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
নিকুঞ্জ-১ ও জামতলা এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান আধার হিসেবে ব্যবহৃত এই জলাশয়টি ওয়াসার স্থাপিত স্টর্ম স্যুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে অতিবৃষ্টির পানি সরিয়ে নেয়। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, জলাশয়টি ভরাট হলে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এদিকে সরকার সদ্য জারি করা ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ জলাশয় ভরাট ও অপরিকল্পিত নির্মাণকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। নতুন আইনে প্রথমবার অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি পুনরাবৃত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কোনো রাজউক কর্মকর্তা জেনেশুনে অবৈধ নির্মাণে সহায়তা করলে বা নীরব থাকলেও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, নিকুঞ্জ-১ সংলগ্ন জলাশয় দখলের ঘটনা নতুন অধ্যাদেশের কার্যকারিতা যাচাইয়ের একটি বড় পরীক্ষা হতে পারে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে রাজধানীর পরিকল্পিত নগরব্যবস্থা ও পরিবেশ সুরক্ষা চরম হুমকির মুখে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, আদালতের আদেশ ও নতুন আইনের আলোকে অবিলম্বে জলাশয় ভরাট বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। 
আপনার মতামত লিখুন