বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা আন্দোলন করেছি, রক্ত দিয়েছি, ঘাম ঝরিয়েছি। অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আজ ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। অতীতে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তাই যে কোনো মূল্যে ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “অতীতে যতগুলো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকবার বিএনপি জয়লাভ করেছে। এবারও সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষ অবশ্যই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার টেকসই করার নির্বাচন। একটি দল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিজয়ী হতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং ভোট কারচুপির চেষ্টা করতে পারে। নির্বাচনের দিন যারা পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন, তারা ভোট গণনা শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফলাফল নিশ্চিত করবেন।”
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামান। তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত থাকতে হবে। নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা ঠেকাতে একটি দল গুজব ছড়াচ্ছে। মা-বোনেরা কোনো গুজবে কান দেবেন না। বিএনপির নেতাকর্মীরা আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি তুরাগ এলাকার সন্তান। তাই তুরাগ থানার তিনটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ভোটে ধানের শীষের প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে বিজয়ী করতে হবে।”
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন, এম কফিল উদ্দিন, মো. আফাজ উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহসভাপতি মো. জামির হোসেন, মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল হৃদয়, তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, হারুন অর রশিদ খোকা, চান মিয়া বেপারী, জহির উদ্দিন, আলমাছ আলী, আবু তাহের খান, এ বি সিদ্দিক, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হুদা মিঠু, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন শিশির, মো. আলাউদ্দিন, মোস্তফা সরকার, যুবদলের মো. আমিনুল ইসলাম, মো. মিলন মিয়াসহ অনেকে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা আন্দোলন করেছি, রক্ত দিয়েছি, ঘাম ঝরিয়েছি। অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আজ ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। অতীতে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তাই যে কোনো মূল্যে ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “অতীতে যতগুলো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকবার বিএনপি জয়লাভ করেছে। এবারও সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষ অবশ্যই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার টেকসই করার নির্বাচন। একটি দল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিজয়ী হতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং ভোট কারচুপির চেষ্টা করতে পারে। নির্বাচনের দিন যারা পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন, তারা ভোট গণনা শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফলাফল নিশ্চিত করবেন।”
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামান। তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত থাকতে হবে। নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা ঠেকাতে একটি দল গুজব ছড়াচ্ছে। মা-বোনেরা কোনো গুজবে কান দেবেন না। বিএনপির নেতাকর্মীরা আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি তুরাগ এলাকার সন্তান। তাই তুরাগ থানার তিনটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ভোটে ধানের শীষের প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে বিজয়ী করতে হবে।”
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন, এম কফিল উদ্দিন, মো. আফাজ উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহসভাপতি মো. জামির হোসেন, মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল হৃদয়, তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, হারুন অর রশিদ খোকা, চান মিয়া বেপারী, জহির উদ্দিন, আলমাছ আলী, আবু তাহের খান, এ বি সিদ্দিক, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হুদা মিঠু, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন শিশির, মো. আলাউদ্দিন, মোস্তফা সরকার, যুবদলের মো. আমিনুল ইসলাম, মো. মিলন মিয়াসহ অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন