জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে কুৎসা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রতিনিধি, ঝালকাঠি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে নজিরবিহীন সাইবার বুলিং ও অনলাইন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা ও চরিত্রহননমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। তার দাবি, এই আক্রমণের মাত্রা আগের চেয়ে ১০০ গুণ বেড়েছে।
এই হেনস্তার পেছনে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তির কর্মীদের হাত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং এর নৈতিক দায় তিনি এড়াতে পারেন না।
নির্বাচনী পরিবেশে নারী প্রার্থীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার কৌশল হিসেবেই এই সাইবার বুলিং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
ডা. মাহমুদা আলম মিতু ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর ঝালকাঠি-১ আসন থেকে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ৩ জানুয়ারি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হলেও দলীয় কৌশলগত কারণে ২০ জানুয়ারি তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জামায়াতসহ জোটের প্রার্থীর পক্ষে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "আমি ভয় পাই না। গণতন্ত্রে ভিন্ন মত থাকবে, কিন্তু মতের কারণে নারীদের এভাবে হেনস্তা করা গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এই সাইবার সহিংসতার বিরুদ্ধে আইনি ও সামাজিক প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে কুৎসা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রতিনিধি, ঝালকাঠি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে নজিরবিহীন সাইবার বুলিং ও অনলাইন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা ও চরিত্রহননমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। তার দাবি, এই আক্রমণের মাত্রা আগের চেয়ে ১০০ গুণ বেড়েছে।
এই হেনস্তার পেছনে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তির কর্মীদের হাত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং এর নৈতিক দায় তিনি এড়াতে পারেন না।
নির্বাচনী পরিবেশে নারী প্রার্থীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার কৌশল হিসেবেই এই সাইবার বুলিং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
ডা. মাহমুদা আলম মিতু ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর ঝালকাঠি-১ আসন থেকে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ৩ জানুয়ারি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হলেও দলীয় কৌশলগত কারণে ২০ জানুয়ারি তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জামায়াতসহ জোটের প্রার্থীর পক্ষে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "আমি ভয় পাই না। গণতন্ত্রে ভিন্ন মত থাকবে, কিন্তু মতের কারণে নারীদের এভাবে হেনস্তা করা গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এই সাইবার সহিংসতার বিরুদ্ধে আইনি ও সামাজিক প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।"

আপনার মতামত লিখুন