আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ–১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবদুল হামীদের সমর্থনে মুকসুদপুরে গণমিছিল ও নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা সদরে এ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা ব্যানার, ফেস্টুন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড নিয়ে নির্ধারিত স্থানে জড়ো হন। পরে গণমিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন এবং প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন মাওলানা আবদুল হামীদ। তিনি বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িপাল্লা ন্যায়বিচারের প্রতীক। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই তাঁরা রাজনীতি করছেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জ–১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি তাঁর অগ্রাধিকার হবে।
এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে তাঁরা মাঠপর্যায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ–১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবদুল হামীদের সমর্থনে মুকসুদপুরে গণমিছিল ও নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা সদরে এ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা ব্যানার, ফেস্টুন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড নিয়ে নির্ধারিত স্থানে জড়ো হন। পরে গণমিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন এবং প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন মাওলানা আবদুল হামীদ। তিনি বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িপাল্লা ন্যায়বিচারের প্রতীক। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই তাঁরা রাজনীতি করছেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জ–১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি তাঁর অগ্রাধিকার হবে।
এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে তাঁরা মাঠপর্যায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন