ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর যশোরের বিভিন্ন আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ওপর ধারাবাহিক হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত পাঁচ সংসদ সদস্য এই অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, বিএনপির একাংশ প্রতিহিংসামূলকভাবে এই সহিংসতা চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতের জেলা আমির ও যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রছুল। তার বক্তব্যে উঠে আসা প্রধান অভিযোগগুলো হলো:
বেলতা গ্রামে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা এবং সদর উপজেলার সুজলপুরে ককটেল বিস্ফোরণসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।
জামায়াত সমর্থক হওয়ার অপরাধে মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
ঝিকরগাছার নাভারণে রেজাউল হোসেন নামে এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গাপুর ও দুর্গাবরকাটি গ্রামে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে।
অধ্যাপক গোলাম রছুল বলেন, "গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু নির্বাচনের পর অগণতান্ত্রিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে যশোর-১, ২, ৫ ও ৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ এবং যশোর-৩ আসনের প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, বিএনপি কোনো প্রকার হামলা বা প্রতিহিংসার রাজনীতি সমর্থন করে না।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর যশোরের বিভিন্ন আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ওপর ধারাবাহিক হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত পাঁচ সংসদ সদস্য এই অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, বিএনপির একাংশ প্রতিহিংসামূলকভাবে এই সহিংসতা চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতের জেলা আমির ও যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রছুল। তার বক্তব্যে উঠে আসা প্রধান অভিযোগগুলো হলো:
বেলতা গ্রামে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা এবং সদর উপজেলার সুজলপুরে ককটেল বিস্ফোরণসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।
জামায়াত সমর্থক হওয়ার অপরাধে মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
ঝিকরগাছার নাভারণে রেজাউল হোসেন নামে এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গাপুর ও দুর্গাবরকাটি গ্রামে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে।
অধ্যাপক গোলাম রছুল বলেন, "গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু নির্বাচনের পর অগণতান্ত্রিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে যশোর-১, ২, ৫ ও ৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ এবং যশোর-৩ আসনের প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, বিএনপি কোনো প্রকার হামলা বা প্রতিহিংসার রাজনীতি সমর্থন করে না।

আপনার মতামত লিখুন