জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির কথিত হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা বিএনপির এই কর্মকাণ্ডকে ‘জনরায়ের প্রতি চরম অশ্রদ্ধা’ বলে আখ্যায়িত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই বিএনপি সহিংসতায় মেতে উঠেছে। তিনি জানান, ছাত্রশক্তি সারা দেশে বিএনপির সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ‘ডকুমেন্টেশন’ বা নথিবদ্ধকরণ করছে। দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে এই সহিংসতার চিত্র প্রদর্শনের ঘোষণাও দেন তিনি।
জাহিদ আহসান আরও দাবি করেন, বিএনপি কেবল প্রতিপক্ষের ওপরই নয়, নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলেও লিপ্ত। তিনি অভিযোগ করেন, "নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির নিজেদের অন্তর্কোন্দলে প্রায় আড়াইশ নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা প্রতিটি খুনের বিচার চাই।"
জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বিএনপির হাইকমান্ডের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন: "একদিকে তারেক রহমান বিজয় মিছিলের পরিবর্তে দোয়া মাহফিলের ডাক দিচ্ছেন, অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি কর্মীরা মানুষের ঘরবাড়ি ও জায়গা-জমি দখল করছে। ৫ আগস্টের পর যেমন শোকরানা নামাজের আড়ালে দখলবাজি চলেছিল, এখনো সেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।"
তিনি হাতিয়া, বাগেরহাট ও বরগুনাসহ বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর হামলার বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার মতে, বিএনপির সেকেন্ড ও থার্ড লেয়ারের নেতারা এসব সহিংসতাকে ‘গুজব’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। ছাত্রশক্তি নেতারা অভিযোগ করেন, কিছু মিডিয়া হামলাকে ‘তৃণমূলের সংঘর্ষ’ হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে কোনোভাবেই ‘নতুন দানব’ বা ‘নতুন ফ্যাসিবাদের’ জন্ম হতে দেওয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির কথিত হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা বিএনপির এই কর্মকাণ্ডকে ‘জনরায়ের প্রতি চরম অশ্রদ্ধা’ বলে আখ্যায়িত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই বিএনপি সহিংসতায় মেতে উঠেছে। তিনি জানান, ছাত্রশক্তি সারা দেশে বিএনপির সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ‘ডকুমেন্টেশন’ বা নথিবদ্ধকরণ করছে। দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে এই সহিংসতার চিত্র প্রদর্শনের ঘোষণাও দেন তিনি।
জাহিদ আহসান আরও দাবি করেন, বিএনপি কেবল প্রতিপক্ষের ওপরই নয়, নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলেও লিপ্ত। তিনি অভিযোগ করেন, "নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির নিজেদের অন্তর্কোন্দলে প্রায় আড়াইশ নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা প্রতিটি খুনের বিচার চাই।"
জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বিএনপির হাইকমান্ডের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন: "একদিকে তারেক রহমান বিজয় মিছিলের পরিবর্তে দোয়া মাহফিলের ডাক দিচ্ছেন, অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি কর্মীরা মানুষের ঘরবাড়ি ও জায়গা-জমি দখল করছে। ৫ আগস্টের পর যেমন শোকরানা নামাজের আড়ালে দখলবাজি চলেছিল, এখনো সেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।"
তিনি হাতিয়া, বাগেরহাট ও বরগুনাসহ বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর হামলার বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার মতে, বিএনপির সেকেন্ড ও থার্ড লেয়ারের নেতারা এসব সহিংসতাকে ‘গুজব’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। ছাত্রশক্তি নেতারা অভিযোগ করেন, কিছু মিডিয়া হামলাকে ‘তৃণমূলের সংঘর্ষ’ হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে কোনোভাবেই ‘নতুন দানব’ বা ‘নতুন ফ্যাসিবাদের’ জন্ম হতে দেওয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন