পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য পেতে নতুন সড়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পরিবহনে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল বলে মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের আমলে পরিবহনে চাঁদাবাজি 'শিল্পের পর্যায়ে' পৌঁছেছিল। কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা এই চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকায় সাধারণ মানুষ এর প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের নতুন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, পরিবহনে চাঁদাবাজিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া বা এর পক্ষে সাফাই গাওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, "পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের বাস ভাড়া বাড়ছে, অন্যদিকে পণ্য পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে। এটি সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।"
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণমানুষের দল এবং তারা পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য দেবে বলে দেশবাসী আশা করে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে অনতিবিলম্বে পরিবহন খাতের এই নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেছে সংগঠনটি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য পেতে নতুন সড়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পরিবহনে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল বলে মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের আমলে পরিবহনে চাঁদাবাজি 'শিল্পের পর্যায়ে' পৌঁছেছিল। কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা এই চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকায় সাধারণ মানুষ এর প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের নতুন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, পরিবহনে চাঁদাবাজিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া বা এর পক্ষে সাফাই গাওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, "পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের বাস ভাড়া বাড়ছে, অন্যদিকে পণ্য পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে। এটি সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।"
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণমানুষের দল এবং তারা পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য দেবে বলে দেশবাসী আশা করে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে অনতিবিলম্বে পরিবহন খাতের এই নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেছে সংগঠনটি।

আপনার মতামত লিখুন