গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ লোক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। সুতরাং এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা
জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো সরাসরি জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা, যা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “আজ আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে দাঁড়িয়ে মিডিয়ার সাথে কথা বলছি, এটি সম্ভব হয়েছে একমাত্র জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়ায় আসতেই দেওয়া হয়নি, সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা।”
বর্তমান সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমি মিডিয়ায় শুনেছি সরকারের কেউ কেউ বলছেন গণভোট বলতে কিছু নেই। এটি অবাক করার মতো কথা। যদি গণভোট কিছু না-ই হয়, তবে আপনারা বা আপনাদের দল সেখানে স্বাক্ষর করলেন কেন? এখন কেন উল্টো কথা বলছেন?”
তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণ সন্দেহ করছে এই সরকার অন্য কোনো শক্তির ইশারায় বাংলাদেশকে জুলাই-পূর্ববর্তী অস্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কি না। তাদের শিকড় কোথায় তা জাতি জানে।”
জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, “এই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার মানুষ জীবন দিয়েছে, ৭০ হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গু হয়েছে। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে, তবে তাদের পরিণতিও আগের খুনি সরকারের মতোই হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ লোক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। সুতরাং এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা
জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো সরাসরি জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা, যা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “আজ আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে দাঁড়িয়ে মিডিয়ার সাথে কথা বলছি, এটি সম্ভব হয়েছে একমাত্র জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়ায় আসতেই দেওয়া হয়নি, সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা।”
বর্তমান সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমি মিডিয়ায় শুনেছি সরকারের কেউ কেউ বলছেন গণভোট বলতে কিছু নেই। এটি অবাক করার মতো কথা। যদি গণভোট কিছু না-ই হয়, তবে আপনারা বা আপনাদের দল সেখানে স্বাক্ষর করলেন কেন? এখন কেন উল্টো কথা বলছেন?”
তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণ সন্দেহ করছে এই সরকার অন্য কোনো শক্তির ইশারায় বাংলাদেশকে জুলাই-পূর্ববর্তী অস্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কি না। তাদের শিকড় কোথায় তা জাতি জানে।”
জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, “এই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার মানুষ জীবন দিয়েছে, ৭০ হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গু হয়েছে। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে, তবে তাদের পরিণতিও আগের খুনি সরকারের মতোই হবে।”

আপনার মতামত লিখুন