যমুনা টিভির সংবাদের প্রতিবাদে মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।মো: ছিরু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন—যমুনা টেলিভিশন-এ প্রচারিত এমন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি “গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত” শিরোনামে একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কোনো গ্রুপের মধ্যে এ ধরনের সংঘর্ষ, নিহত বা আহতের ঘটনা ঘটেনি।
তারিকুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই সেই তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রচার করায় দলের সাংগঠনিক সুনাম নষ্ট হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, সংবাদ প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি, যা সাংবাদিকতার নীতিমালা ও পেশাগত দায়িত্বের পরিপন্থী। প্রচারিত সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ছালাম খান, সহ-সভাপতি মহাসিন সরদার, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো: কাউয়ুম শরীফ,মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুল্টু বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান বিপ্লবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি ভবিষ্যতে তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
যমুনা টিভির সংবাদের প্রতিবাদে মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।মো: ছিরু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন—যমুনা টেলিভিশন-এ প্রচারিত এমন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি “গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত” শিরোনামে একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কোনো গ্রুপের মধ্যে এ ধরনের সংঘর্ষ, নিহত বা আহতের ঘটনা ঘটেনি।
তারিকুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই সেই তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রচার করায় দলের সাংগঠনিক সুনাম নষ্ট হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, সংবাদ প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি, যা সাংবাদিকতার নীতিমালা ও পেশাগত দায়িত্বের পরিপন্থী। প্রচারিত সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ছালাম খান, সহ-সভাপতি মহাসিন সরদার, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো: কাউয়ুম শরীফ,মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুল্টু বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান বিপ্লবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি ভবিষ্যতে তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন