আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার কারণেই বিগত ১৬ বছর দেশে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছিল বলে হুঁশিয়ার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অতীতের মতো আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুনরাবৃত্তি তারা আর দেখতে চান না।
সোমবার (২ মার্চ) রাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, বিগত ১৬ বছরের স্বৈরশাসন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও বিচার ব্যবস্থাকে তছনছ করে দিয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তার ভিত্তিতে ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরি হয়। এই সনদটি জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোটের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "যেহেতু বিষয়টি গণভোটে পাস হয়েছে, তাই আমরা অবিলম্বে এটি কার্যকর দেখতে চাই।"
জামায়াত নেতা অভিযোগ করেন, জাতীয় সংসদের শপথ গ্রহণের সময় সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী দুটি শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির এমপিরা তা নেননি। তবে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের এমপিরা সেই শপথ নিয়েছেন।
বর্তমানে হাইকোর্টে গণভোটের সাংবিধানিকতা নিয়ে একটি রিট পিটিশন চলছে, যার রায় আজ মঙ্গলবার হওয়ার কথা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, "আদালতের কাঁধে ভর করে কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা হাসিল করার চেষ্টা সঠিক নয়। ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এই জাতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।"
কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আদালতের দোহাই দিয়ে তৎকালীন সময়ে যে ভুল করা হয়েছিল, তার খেসারত জাতিকে ১৬ বছর দিতে হয়েছে। এবারও যদি একই ধরনের ঘটনা ঘটে, তবে সংকট আরও ঘনীভূত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির ও জাহিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। আদালতের রায় ঘোষণার পর দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার কারণেই বিগত ১৬ বছর দেশে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছিল বলে হুঁশিয়ার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অতীতের মতো আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুনরাবৃত্তি তারা আর দেখতে চান না।
সোমবার (২ মার্চ) রাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, বিগত ১৬ বছরের স্বৈরশাসন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও বিচার ব্যবস্থাকে তছনছ করে দিয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তার ভিত্তিতে ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরি হয়। এই সনদটি জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোটের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "যেহেতু বিষয়টি গণভোটে পাস হয়েছে, তাই আমরা অবিলম্বে এটি কার্যকর দেখতে চাই।"
জামায়াত নেতা অভিযোগ করেন, জাতীয় সংসদের শপথ গ্রহণের সময় সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী দুটি শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির এমপিরা তা নেননি। তবে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের এমপিরা সেই শপথ নিয়েছেন।
বর্তমানে হাইকোর্টে গণভোটের সাংবিধানিকতা নিয়ে একটি রিট পিটিশন চলছে, যার রায় আজ মঙ্গলবার হওয়ার কথা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, "আদালতের কাঁধে ভর করে কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা হাসিল করার চেষ্টা সঠিক নয়। ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এই জাতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।"
কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আদালতের দোহাই দিয়ে তৎকালীন সময়ে যে ভুল করা হয়েছিল, তার খেসারত জাতিকে ১৬ বছর দিতে হয়েছে। এবারও যদি একই ধরনের ঘটনা ঘটে, তবে সংকট আরও ঘনীভূত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির ও জাহিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। আদালতের রায় ঘোষণার পর দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন