চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাজার-ঘাট, সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে ধর্মীয় সভা—সব জায়গায় মিজানুর রহমান রতনের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তার এই জনসংযোগ কার্যক্রমে ইতোমধ্যেই এলাকায় নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে সিধুলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি সিধুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দুই দফায় মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক জীবনে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা মাথায় নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের পাশে থেকেছেন মিজানুর রহমান রতন। এ ছাড়া তাকে একাধিকবার কারাগারেও যেতে হয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ সমস্যা সমাধান, খেলাধুলায় উৎসাহ প্রদান এবং সাধারণ মানুষের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ানোর কারণে এলাকাবাসীর কাছে তিনি বেশ পরিচিত।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। কৃষি উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, আগেভাগেই নির্বাচনী মাঠে নামায় মিজানুর রহমান রতনের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ তাকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। তবে চূড়ান্ত নির্বাচনী লড়াই কেমন হবে, তা নির্ভর করবে অন্য প্রার্থীদের ওপর।
এ বিষয়ে মিজানুর রহমান রতন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ করেছি। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন সময় এসেছে মাদারগঞ্জ উপজেলার মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নতুনভাবে কাজ করার।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আদর্শকে ধারণ করে একটি সুশাসনভিত্তিক সমাজ ও উন্নত উপজেলা গড়ে তুলতে চাই। জনগণের সমর্থন ও দোয়া থাকলে মাদারগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক ও উন্নয়নমুখী উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।”
সবশেষে তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার জন্য নির্বাচন করতে চাই। মাদারগঞ্জের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই হবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাজার-ঘাট, সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে ধর্মীয় সভা—সব জায়গায় মিজানুর রহমান রতনের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তার এই জনসংযোগ কার্যক্রমে ইতোমধ্যেই এলাকায় নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে সিধুলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি সিধুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দুই দফায় মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক জীবনে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা মাথায় নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের পাশে থেকেছেন মিজানুর রহমান রতন। এ ছাড়া তাকে একাধিকবার কারাগারেও যেতে হয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ সমস্যা সমাধান, খেলাধুলায় উৎসাহ প্রদান এবং সাধারণ মানুষের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ানোর কারণে এলাকাবাসীর কাছে তিনি বেশ পরিচিত।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। কৃষি উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, আগেভাগেই নির্বাচনী মাঠে নামায় মিজানুর রহমান রতনের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ তাকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। তবে চূড়ান্ত নির্বাচনী লড়াই কেমন হবে, তা নির্ভর করবে অন্য প্রার্থীদের ওপর।
এ বিষয়ে মিজানুর রহমান রতন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ করেছি। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন সময় এসেছে মাদারগঞ্জ উপজেলার মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নতুনভাবে কাজ করার।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আদর্শকে ধারণ করে একটি সুশাসনভিত্তিক সমাজ ও উন্নত উপজেলা গড়ে তুলতে চাই। জনগণের সমর্থন ও দোয়া থাকলে মাদারগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক ও উন্নয়নমুখী উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।”
সবশেষে তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার জন্য নির্বাচন করতে চাই। মাদারগঞ্জের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই হবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

আপনার মতামত লিখুন