ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বর্তমান সরকার আন্তরিক এবং একটি টেকসই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, গত ১৫-১৬ বছর ভারতের সম্পর্ক ছিল কেবল শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে, বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী করতে হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পর্ক থাকা অপরিহার্য।
তবে এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা যদি সেখান থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন, তবে সম্পর্ক টেকসই হওয়া কঠিন হবে। ভারত এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে সম্পর্ক উন্নয়নে কোনো বাধা থাকবে না।
এছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আমদানির বিষয়ে তিনি জানান, দেশের চাহিদা অনুযায়ী যেখানে ন্যায্যমূল্যে জ্বালানি পাওয়া যাবে, সরকার সেখান থেকেই কিনবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে প্রবাসীদের ভিসা ও ফ্লাইট জটিলতা নিরসনে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বর্তমান সরকার আন্তরিক এবং একটি টেকসই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, গত ১৫-১৬ বছর ভারতের সম্পর্ক ছিল কেবল শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে, বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী করতে হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পর্ক থাকা অপরিহার্য।
তবে এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা যদি সেখান থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন, তবে সম্পর্ক টেকসই হওয়া কঠিন হবে। ভারত এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে সম্পর্ক উন্নয়নে কোনো বাধা থাকবে না।
এছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আমদানির বিষয়ে তিনি জানান, দেশের চাহিদা অনুযায়ী যেখানে ন্যায্যমূল্যে জ্বালানি পাওয়া যাবে, সরকার সেখান থেকেই কিনবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে প্রবাসীদের ভিসা ও ফ্লাইট জটিলতা নিরসনে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন