ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চতুর্থ দিনের অগ্রিম টিকিটধারী যাত্রীদের ঈদযাত্রা আজ সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে। শেষ কর্মদিবস হওয়ায় বিকেল গড়াতেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গত তিনদিন যাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক থাকলেও আজ সেই চিত্র বদলেছে।
প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের চাপ সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার বিকেলের পর থেকে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। রাত ৮টায় লালমনি, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও বুড়িমারীর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে যাত্রীদের তিল ধারণের ঠাঁয় ছিল না। অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা হলেও অনেক যাত্রী তাদের নির্ধারিত আসনে পৌঁছাতে হিমশিম খেয়েছেন। অনেককে গেটে ঝুলে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। তবে ট্রেনের ছাদে কাউকে উঠতে দেয়নি স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
সময়মতো ট্রেন ছাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবারের ঈদযাত্রায় ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। তবে অফিস শেষ করে দেরিতে স্টেশনে পৌঁছানো কিছু যাত্রী ট্রেন মিস করায় বিপাকে পড়েছেন। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা তিন বন্ধু জসিম, ছাইদুল ও রোকন জানান, অফিস শেষে যানজট ঠেলে আসতে ১০ মিনিট দেরি হওয়ায় তারা ট্রেন ধরতে পারেননি। ফলে দ্বিগুণ ভাড়ায় বাসে করে বাড়ি যাওয়ার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
যাত্রীদের অভিজ্ঞতা পরিবারের সঙ্গে রংপুরগামী যাত্রী মুন্নি জানান, স্টেশনে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় তারা নির্দিষ্ট বগি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ট্রেন ছাড়ার আগমুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে কোনোমতে বগিতে উঠতে পারলেও আসন খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয়েছে।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্য ট্রেনের টিটিদের মতে, গত তিনদিনের তুলনায় আজ সন্ধ্যা থেকে ভিড় কয়েকগুণ বেড়েছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত বেসরকারি অনেক অফিস খোলা থাকায় সেদিন ভিড় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চতুর্থ দিনের অগ্রিম টিকিটধারী যাত্রীদের ঈদযাত্রা আজ সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে। শেষ কর্মদিবস হওয়ায় বিকেল গড়াতেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গত তিনদিন যাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক থাকলেও আজ সেই চিত্র বদলেছে।
প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের চাপ সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার বিকেলের পর থেকে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। রাত ৮টায় লালমনি, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও বুড়িমারীর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে যাত্রীদের তিল ধারণের ঠাঁয় ছিল না। অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা হলেও অনেক যাত্রী তাদের নির্ধারিত আসনে পৌঁছাতে হিমশিম খেয়েছেন। অনেককে গেটে ঝুলে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। তবে ট্রেনের ছাদে কাউকে উঠতে দেয়নি স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
সময়মতো ট্রেন ছাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবারের ঈদযাত্রায় ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। তবে অফিস শেষ করে দেরিতে স্টেশনে পৌঁছানো কিছু যাত্রী ট্রেন মিস করায় বিপাকে পড়েছেন। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা তিন বন্ধু জসিম, ছাইদুল ও রোকন জানান, অফিস শেষে যানজট ঠেলে আসতে ১০ মিনিট দেরি হওয়ায় তারা ট্রেন ধরতে পারেননি। ফলে দ্বিগুণ ভাড়ায় বাসে করে বাড়ি যাওয়ার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
যাত্রীদের অভিজ্ঞতা পরিবারের সঙ্গে রংপুরগামী যাত্রী মুন্নি জানান, স্টেশনে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় তারা নির্দিষ্ট বগি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ট্রেন ছাড়ার আগমুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে কোনোমতে বগিতে উঠতে পারলেও আসন খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয়েছে।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্য ট্রেনের টিটিদের মতে, গত তিনদিনের তুলনায় আজ সন্ধ্যা থেকে ভিড় কয়েকগুণ বেড়েছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত বেসরকারি অনেক অফিস খোলা থাকায় সেদিন ভিড় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন