নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, বর্তমান পার্লামেন্টে যদি 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয়, তবে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের একটি সংস্থার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জাতীয় সংসদকে শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সাইফুল আলম খান বলেন, "আমাদের এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্বের সংসদগুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত একটি সংসদ, ফলে এই সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।"
তিনি আরও বলেন, সংসদই যেন হয় জাতীয় জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্র। এক্ষেত্রে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে সরকারি দল বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে থাকায় অনেক সিদ্ধান্ত তাদের ওপর নির্ভর করছে। তাই সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি বা 'রুলস অফ প্রসিডিউর'-এ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
জামায়াত নেতা আক্ষেপ করে বলেন, "এই সংসদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ছিল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা। কিন্তু আমরা দেখছি, প্রথম দিন থেকেই সরকারি দল ভিন্ন পথে হাঁটছে। তারা জুলাই সনদের জন্য সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি এবং ভিন্নধর্মী প্রস্তাব নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, বর্তমান পার্লামেন্টে যদি 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয়, তবে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের একটি সংস্থার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জাতীয় সংসদকে শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সাইফুল আলম খান বলেন, "আমাদের এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্বের সংসদগুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত একটি সংসদ, ফলে এই সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।"
তিনি আরও বলেন, সংসদই যেন হয় জাতীয় জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্র। এক্ষেত্রে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে সরকারি দল বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে থাকায় অনেক সিদ্ধান্ত তাদের ওপর নির্ভর করছে। তাই সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি বা 'রুলস অফ প্রসিডিউর'-এ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
জামায়াত নেতা আক্ষেপ করে বলেন, "এই সংসদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ছিল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা। কিন্তু আমরা দেখছি, প্রথম দিন থেকেই সরকারি দল ভিন্ন পথে হাঁটছে। তারা জুলাই সনদের জন্য সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি এবং ভিন্নধর্মী প্রস্তাব নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।"

আপনার মতামত লিখুন