দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়া জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন এমপির আস্থা ভাজন হিসেবেও তিনি পরিচিত।
জানা যায়, স্কুলজীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন আহসানুজ্জামান রুমেল। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৮৭ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সময় ১৯৮৮ সালের আন্দোলনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন তিনি। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলায় তাকে জেলও খাটতে হয়েছে বলে জানা যায়। তবুও দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর পৌরসভা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে এখানে ৪১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ১২টি ওয়ার্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও জনসেবায় তার অবদান তাকে একজন গ্রহণযোগ্য নেতায় পরিণত করেছে। অনেকেই মনে করেন, আগামী পৌরসভা নির্বাচনে তিনি শক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।
দলীয় নেতাকর্মীরাও মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করলে বিজয় অর্জন সম্ভব। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে।
এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর শত শত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা, বৃক্ষরোপণসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন আহসানুজ্জামান রুমেল। এর ফলে পৌর এলাকায় তার একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিগত ইমেজ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
আগামী পৌর নির্বাচনে তার বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে অনেকেই অভিমত দিয়েছেন। পৌরবাসীর একটি বড় অংশ তাকে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে বিবেচনা করছেন।
পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে আহসানুজ্জামান রুমেল বলেন, তিনি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, দল তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল উপহার দিতে পারবেন।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, স্থানীয় রাজনীতিতে এখন অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন আহসানুজ্জামান রুমেল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়া জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন এমপির আস্থা ভাজন হিসেবেও তিনি পরিচিত।
জানা যায়, স্কুলজীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন আহসানুজ্জামান রুমেল। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৮৭ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সময় ১৯৮৮ সালের আন্দোলনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন তিনি। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলায় তাকে জেলও খাটতে হয়েছে বলে জানা যায়। তবুও দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর পৌরসভা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে এখানে ৪১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ১২টি ওয়ার্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও জনসেবায় তার অবদান তাকে একজন গ্রহণযোগ্য নেতায় পরিণত করেছে। অনেকেই মনে করেন, আগামী পৌরসভা নির্বাচনে তিনি শক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।
দলীয় নেতাকর্মীরাও মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করলে বিজয় অর্জন সম্ভব। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে।
এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর শত শত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা, বৃক্ষরোপণসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন আহসানুজ্জামান রুমেল। এর ফলে পৌর এলাকায় তার একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিগত ইমেজ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
আগামী পৌর নির্বাচনে তার বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে অনেকেই অভিমত দিয়েছেন। পৌরবাসীর একটি বড় অংশ তাকে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে বিবেচনা করছেন।
পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে আহসানুজ্জামান রুমেল বলেন, তিনি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, দল তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল উপহার দিতে পারবেন।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, স্থানীয় রাজনীতিতে এখন অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন আহসানুজ্জামান রুমেল।

আপনার মতামত লিখুন