নজর বিডি

তৃণমূলে শক্ত অবস্থান, রুমেলকে ঘিরে জামালপুরে প্রত্যাশার ঢেউ

তৃণমূলে শক্ত অবস্থান, রুমেলকে ঘিরে জামালপুরে প্রত্যাশার ঢেউ

দলীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তার কারণে তৃণমূলে বাড়ছে গ্রহণযোগ্যতা

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহসানুজ্জামান রুমেল জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন এমপির আস্থাভাজন হিসেবেও তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জানা যায়, স্কুল জীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন আহসানুজ্জামান রুমেল। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৮৭ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৮৮ সালের আন্দোলনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হন এবং দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন। তবে মামলা-হামলা উপেক্ষা করে তিনি সবসময় মাঠের কর্মীদের পাশে অবস্থান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর পৌরসভায় বর্তমানে ১২টি ওয়ার্ডে ৪১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এই পৌরসভার বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।

পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনীতির পাশাপাশি উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান তাকে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করলে বিজয় অর্জন সম্ভব এবং সে ক্ষেত্রে রুমেল এগিয়ে রয়েছেন।

নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণসহ নানা সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এসব উদ্যোগের ফলে পৌরবাসীর মধ্যে তার একটি ইতিবাচক ব্যক্তিগত ইমেজ তৈরি হয়েছে।

পৌরবাসীর অনেকে মনে করছেন, তিনি প্রার্থী হলে বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তাকে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন।

পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে আহসানুজ্জামান রুমেল বলেন, “আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দেবে এবং জনগণের সমর্থনে বিজয়ী হতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।”

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, জামালপুরে এখন অন্যতম আলোচিত নাম আহসানুজ্জামান রুমেল।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


তৃণমূলে শক্ত অবস্থান, রুমেলকে ঘিরে জামালপুরে প্রত্যাশার ঢেউ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

দলীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তার কারণে তৃণমূলে বাড়ছে গ্রহণযোগ্যতা

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহসানুজ্জামান রুমেল জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন এমপির আস্থাভাজন হিসেবেও তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জানা যায়, স্কুল জীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন আহসানুজ্জামান রুমেল। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৮৭ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৮৮ সালের আন্দোলনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হন এবং দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন। তবে মামলা-হামলা উপেক্ষা করে তিনি সবসময় মাঠের কর্মীদের পাশে অবস্থান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর পৌরসভায় বর্তমানে ১২টি ওয়ার্ডে ৪১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এই পৌরসভার বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।

পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনীতির পাশাপাশি উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান তাকে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করলে বিজয় অর্জন সম্ভব এবং সে ক্ষেত্রে রুমেল এগিয়ে রয়েছেন।

নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণসহ নানা সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এসব উদ্যোগের ফলে পৌরবাসীর মধ্যে তার একটি ইতিবাচক ব্যক্তিগত ইমেজ তৈরি হয়েছে।

পৌরবাসীর অনেকে মনে করছেন, তিনি প্রার্থী হলে বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তাকে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন।

পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে আহসানুজ্জামান রুমেল বলেন, “আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দেবে এবং জনগণের সমর্থনে বিজয়ী হতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।”

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, জামালপুরে এখন অন্যতম আলোচিত নাম আহসানুজ্জামান রুমেল।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত