রাজধানীর সহ সারাদেশে জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড়।
রাজধানীসহ সারাদেশে জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তবে এই জটলা তেলের সংকটের কারণে নয়, বরং রাইড শেয়ারিং অ্যাপ (পাঠাও, উবার) চালকদের বিশৃঙ্খল অবস্থানের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণ মোটরসাইকেল আরোহীদের মতে, রাইড শেয়ারিং চালকদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণের ফলে পাম্পগুলোতে সাধারণ গ্রাহকদের সেবা পাওয়া এখন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে মগবাজার, তেজগাঁও ও ধানমন্ডি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি প্রধান সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত। বিশৃঙ্খলার পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ উঠে এসেছে:
রাইড শেয়ারিং চালকরা দল বেঁধে পাম্পে আসায় দ্রুত বিশাল জটলা তৈরি হয়। তেল নেওয়ার পরও অনেকে অ্যাপের কলের অপেক্ষায় পাম্পের ভেতরে বা প্রবেশপথে অবস্থান করেন, যা যানজট বাড়িয়ে দেয়।
সিরিয়াল ভেঙে আগে তেল নেওয়ার চেষ্টা এবং পাম্প কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এখন নিয়মিত চিত্র।
ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাম্পে আলাদা লেন ব্যবস্থা করা, রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কর্তৃপক্ষের তদারকি বাড়ানো এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের কঠোরতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাম্প মালিক সমিতির মতে, শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর সহ সারাদেশে জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড়।
রাজধানীসহ সারাদেশে জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তবে এই জটলা তেলের সংকটের কারণে নয়, বরং রাইড শেয়ারিং অ্যাপ (পাঠাও, উবার) চালকদের বিশৃঙ্খল অবস্থানের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণ মোটরসাইকেল আরোহীদের মতে, রাইড শেয়ারিং চালকদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণের ফলে পাম্পগুলোতে সাধারণ গ্রাহকদের সেবা পাওয়া এখন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে মগবাজার, তেজগাঁও ও ধানমন্ডি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি প্রধান সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত। বিশৃঙ্খলার পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ উঠে এসেছে:
রাইড শেয়ারিং চালকরা দল বেঁধে পাম্পে আসায় দ্রুত বিশাল জটলা তৈরি হয়। তেল নেওয়ার পরও অনেকে অ্যাপের কলের অপেক্ষায় পাম্পের ভেতরে বা প্রবেশপথে অবস্থান করেন, যা যানজট বাড়িয়ে দেয়।
সিরিয়াল ভেঙে আগে তেল নেওয়ার চেষ্টা এবং পাম্প কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এখন নিয়মিত চিত্র।
ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাম্পে আলাদা লেন ব্যবস্থা করা, রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কর্তৃপক্ষের তদারকি বাড়ানো এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের কঠোরতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাম্প মালিক সমিতির মতে, শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন