আসন্ন বাংলা নববর্ষ বরণে 'শিরকমুক্ত' ও 'শালীনভাবে' সাংস্কৃতিক র্যালি করার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবারের আয়োজনে 'মঙ্গল' ও 'আনন্দ' শব্দ দুটি বাদ দিয়ে 'বৈশাখী শোভাযাত্রা' করার সিদ্ধান্ত নিলেও এটি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে কতটা মুক্ত থাকবে তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। একজন ঈমানদার মুসলমান বৈশাখকেন্দ্রিক ‘মঙ্গল’ ধারণার মতো শিরক লালন করতে পারেন না, কারণ সকল কল্যাণ কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাওহিদের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে শালীন আনন্দ ও শিল্প চর্চায় ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তবে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি বা প্রাণীর প্রতিকৃতি প্রদর্শন ইসলামে নিষিদ্ধ।
বাঙালি মুসলমানদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে 'ঘোড়া'সহ বিভিন্ন মননশীল অনুষঙ্গ নিয়ে মিছিল করা যেতে পারে।
এ সময় তিনি উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাম্প্রতিক বিবৃতির সমালোচনা করে একে 'উগ্র বাঙালি জাতিবাদী ফ্যাসিস্ট মনোভাব' হিসেবে অভিহিত করেন এবং দেশের পাহাড়ি ও বিহারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকেও জাতীয় সংস্কৃতিতে যথাযথ স্থান দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
আসন্ন বাংলা নববর্ষ বরণে 'শিরকমুক্ত' ও 'শালীনভাবে' সাংস্কৃতিক র্যালি করার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবারের আয়োজনে 'মঙ্গল' ও 'আনন্দ' শব্দ দুটি বাদ দিয়ে 'বৈশাখী শোভাযাত্রা' করার সিদ্ধান্ত নিলেও এটি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে কতটা মুক্ত থাকবে তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। একজন ঈমানদার মুসলমান বৈশাখকেন্দ্রিক ‘মঙ্গল’ ধারণার মতো শিরক লালন করতে পারেন না, কারণ সকল কল্যাণ কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাওহিদের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে শালীন আনন্দ ও শিল্প চর্চায় ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তবে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি বা প্রাণীর প্রতিকৃতি প্রদর্শন ইসলামে নিষিদ্ধ।
বাঙালি মুসলমানদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে 'ঘোড়া'সহ বিভিন্ন মননশীল অনুষঙ্গ নিয়ে মিছিল করা যেতে পারে।
এ সময় তিনি উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাম্প্রতিক বিবৃতির সমালোচনা করে একে 'উগ্র বাঙালি জাতিবাদী ফ্যাসিস্ট মনোভাব' হিসেবে অভিহিত করেন এবং দেশের পাহাড়ি ও বিহারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকেও জাতীয় সংস্কৃতিতে যথাযথ স্থান দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন