বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে নিত্যপণ্যের বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, "বর্তমানে বাজারের পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের সহনশীলতার বাইরে চলে গেছে। এই মুহূর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা নিত্যপণ্যের বাজারে দাবানল সৃষ্টি করবে, যার চাপ সইতে পারবে না মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ।"
গাজী আতাউর রহমান দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, সরকারের কূটনৈতিক দুর্বলতা, অদক্ষতা এবং অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। ইরান থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ঘোষিত কয়েকটি জাহাজের অস্তিত্ব না পাওয়া সরকারের ব্যবস্থাপনার দৈন্যদশা প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে যখনই অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়, তার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। জনগণকে ব্যয় সংকোচনের পরামর্শ দেওয়া হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সাশ্রয়ী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাওলানা আতাউর রহমান বলেন, জনস্বার্থে প্রথমে অপ্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে হবে এবং কূটনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। জনজীবন বিপন্ন করে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান তিনি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে নিত্যপণ্যের বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, "বর্তমানে বাজারের পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের সহনশীলতার বাইরে চলে গেছে। এই মুহূর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা নিত্যপণ্যের বাজারে দাবানল সৃষ্টি করবে, যার চাপ সইতে পারবে না মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ।"
গাজী আতাউর রহমান দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, সরকারের কূটনৈতিক দুর্বলতা, অদক্ষতা এবং অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। ইরান থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ঘোষিত কয়েকটি জাহাজের অস্তিত্ব না পাওয়া সরকারের ব্যবস্থাপনার দৈন্যদশা প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে যখনই অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়, তার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। জনগণকে ব্যয় সংকোচনের পরামর্শ দেওয়া হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সাশ্রয়ী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাওলানা আতাউর রহমান বলেন, জনস্বার্থে প্রথমে অপ্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে হবে এবং কূটনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। জনজীবন বিপন্ন করে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন