চীনে সফররত বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার বেইজিংয়ের আইডিসিপিসি ভবনে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দুটি পৃথক দ্বিপাক্ষিক সভায় মিলিত হয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান জেং এবং সিপিসি-র আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক মৈত্রী, রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিকশিত বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। বিএনপি ও সিপিসি-র মধ্যে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক মতবিনিময়ের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি এবং 'এক-চীন' নীতির প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের গঠনমূলক ভূমিকা এবং উত্তরবঙ্গের জীবন-জীবিকার স্বার্থে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং রোবোটিক সার্জারিসহ চিকিৎসা প্রযুক্তিতে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে বাংলাদেশ।
সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীনের কারিগরি সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
২১ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা), এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন এবং হাবিব উন-নবী খান সোহেলসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।
চীনা নেতৃত্ব বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
চীনে সফররত বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার বেইজিংয়ের আইডিসিপিসি ভবনে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দুটি পৃথক দ্বিপাক্ষিক সভায় মিলিত হয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান জেং এবং সিপিসি-র আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক মৈত্রী, রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিকশিত বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। বিএনপি ও সিপিসি-র মধ্যে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক মতবিনিময়ের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি এবং 'এক-চীন' নীতির প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের গঠনমূলক ভূমিকা এবং উত্তরবঙ্গের জীবন-জীবিকার স্বার্থে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং রোবোটিক সার্জারিসহ চিকিৎসা প্রযুক্তিতে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে বাংলাদেশ।
সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীনের কারিগরি সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
২১ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা), এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন এবং হাবিব উন-নবী খান সোহেলসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।
চীনা নেতৃত্ব বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন