নজর বিডি

বাড্ডার ‘জাগরণী সংসদ’ এখন আতঙ্কের নাম: জুয়া ও মাদকের স্বর্গরাজ্যে জিম্মি এলাকাবাসী

বাড্ডার ‘জাগরণী সংসদ’ এখন আতঙ্কের নাম: জুয়া ও মাদকের স্বর্গরাজ্যে জিম্মি এলাকাবাসী

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ক্রীড়া ও সংস্কৃতির প্রসারের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘জাগরণী সংসদ’ এখন স্থানীয়দের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। নাম জাগরণী হলেও এখানে ঘটা করে চলছে যুবসমাজের অবক্ষয়ের আয়োজন।


প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই ক্লাবটি পরিণত হয় জমজমাট জুয়া আর মাদকের অভয়ারণ্যে, যা চলে পরদিন ভোর পর্যন্ত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মাসুদ রানা ও সোহেল খান সরাসরি এই অবৈধ জুয়ার আসর নিয়ন্ত্রণ করেন। তাদের ছত্রছায়ায় ক্লাবের ভেতরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি এতটাই শক্তিশালী যে, ইতিপূর্বে সংবাদ প্রকাশিত হলেও তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি; বরং দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট।

সংসদের অন্দরমহলে তাসের আড়ালে চলে উচ্চমূল্যের ‘ওয়ান-টেন’ ও ‘কেটলি’র মতো জুয়া। একইসাথে সেখানে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, আইস ও ফেনসিডিলের মতো ভয়াবহ সব মাদক। এর ফলে সংসদের বাইরে সারারাত বহিরাগত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা থাকে, যার কারণে নারী ও শিক্ষার্থীরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় পাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সংসদকে কেন্দ্র করে বাড্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। জুয়ায় সর্বস্বান্ত হয়ে অনেকেই পাড়া-মহল্লায় চুরি-ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও এলাকাবাসীর প্রশ্ন— দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে এই ‘জাগরণী সংসদ’ সিলগালা করার এবং মূল হোতা মাসুদ রানা ও সোহেল খানসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


বাড্ডার ‘জাগরণী সংসদ’ এখন আতঙ্কের নাম: জুয়া ও মাদকের স্বর্গরাজ্যে জিম্মি এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ক্রীড়া ও সংস্কৃতির প্রসারের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘জাগরণী সংসদ’ এখন স্থানীয়দের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। নাম জাগরণী হলেও এখানে ঘটা করে চলছে যুবসমাজের অবক্ষয়ের আয়োজন।


প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই ক্লাবটি পরিণত হয় জমজমাট জুয়া আর মাদকের অভয়ারণ্যে, যা চলে পরদিন ভোর পর্যন্ত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মাসুদ রানা ও সোহেল খান সরাসরি এই অবৈধ জুয়ার আসর নিয়ন্ত্রণ করেন। তাদের ছত্রছায়ায় ক্লাবের ভেতরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি এতটাই শক্তিশালী যে, ইতিপূর্বে সংবাদ প্রকাশিত হলেও তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি; বরং দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট।

সংসদের অন্দরমহলে তাসের আড়ালে চলে উচ্চমূল্যের ‘ওয়ান-টেন’ ও ‘কেটলি’র মতো জুয়া। একইসাথে সেখানে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, আইস ও ফেনসিডিলের মতো ভয়াবহ সব মাদক। এর ফলে সংসদের বাইরে সারারাত বহিরাগত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা থাকে, যার কারণে নারী ও শিক্ষার্থীরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় পাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সংসদকে কেন্দ্র করে বাড্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। জুয়ায় সর্বস্বান্ত হয়ে অনেকেই পাড়া-মহল্লায় চুরি-ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও এলাকাবাসীর প্রশ্ন— দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে এই ‘জাগরণী সংসদ’ সিলগালা করার এবং মূল হোতা মাসুদ রানা ও সোহেল খানসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত