রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে একটি মদের বারের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবক, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের মদের বার পরিচালিত হওয়ায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের কারণে তরুণ সমাজ নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা পরিবার ও সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে পরিচালিত অভিযানে ৫৭ নারীসহ মোট ১৪০ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ওই ঘটনার পর থেকেই আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ তীব্র হয়ে ওঠে এবং আন্দোলন জোরালো হতে থাকে।
সমাবেশে উত্তরা যুবসমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, উত্তরাকে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও পরিবারবান্ধব আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আবাসিক এলাকার ভেতরে থাকা সব ধরনের মদের বার, মাদককেন্দ্রিক আস্তানা ও অসামাজিক কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, নিয়মিত অভিযান এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে মাদকের অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
এ সময় হাজী আনোয়ার ডালি বলেন,
“মাদক ব্যবসা ও এর পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে তাদের বাসভবনের সামনেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“উত্তরা থেকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন থামবে না। প্রতিদিন বিভিন্ন বারের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে, যাতে উত্তরা আবারও একটি সুস্থ, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব পরিবেশ ফিরে পায়।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে একটি মদের বারের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবক, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের মদের বার পরিচালিত হওয়ায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের কারণে তরুণ সমাজ নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা পরিবার ও সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে পরিচালিত অভিযানে ৫৭ নারীসহ মোট ১৪০ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ওই ঘটনার পর থেকেই আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ তীব্র হয়ে ওঠে এবং আন্দোলন জোরালো হতে থাকে।
সমাবেশে উত্তরা যুবসমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, উত্তরাকে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও পরিবারবান্ধব আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আবাসিক এলাকার ভেতরে থাকা সব ধরনের মদের বার, মাদককেন্দ্রিক আস্তানা ও অসামাজিক কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, নিয়মিত অভিযান এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে মাদকের অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
এ সময় হাজী আনোয়ার ডালি বলেন,
“মাদক ব্যবসা ও এর পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে তাদের বাসভবনের সামনেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“উত্তরা থেকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন থামবে না। প্রতিদিন বিভিন্ন বারের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে, যাতে উত্তরা আবারও একটি সুস্থ, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব পরিবেশ ফিরে পায়।”

আপনার মতামত লিখুন