রাজধানীর ডেমরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—চক্রের মূল হোতা মোঃ আলামিন ওরফে ‘মোটা আলামিন’ এবং তার সহযোগী চালক মোঃ রায়হান।
শনিবার (০২ মে ২০২৬) রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক।
র্যাব জানায়, ডেমরার আমান মার্কেট মেন্দিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে মেন্দীপুর বাজারের সিএনজি পাম্প এলাকা থেকে মাইক্রোবাসসহ চালক রায়হানকে গ্রেফতার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ০১টি বিদেশি পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন ও ০৪ রাউন্ড গুলি। থানা থেকে লুট হওয়া ০২টি হ্যান্ডকাপ। ০৬টি র্যাব কটি, ০১টি ওয়াকিটকি ও ০১টি সেনাবাহিনীর মাস্ক। ডাকাতিতে ব্যবহৃত ০১টি মাইক্রোবাস, পুলিশ স্টিকার এবং ভুয়া নাম্বার প্লেট।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বাস বা মাইক্রোবাস থামিয়ে র্যাব, পুলিশ বা সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি করে আসছিল। কখনও যৌথ অভিযানের নামে আবার কখনও অস্ত্র দেখিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুটে নিত তারা। আলামিন এই চক্রের নেতৃত্ব দিতেন এবং রায়হান চালক হিসেবে গাড়ি সরবরাহ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ করতেন।
গ্রেফতারকৃত আলামিন একজন পেশাদার ডাকাত। ২০২৩ সালে কেরানীগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৭১ লক্ষ টাকা লুটের ঘটনায় তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন। গত বছর মে মাসেও তিনি র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলগাঁও, মুগদা, কেরানীগঞ্জ এবং টাঙ্গাইল ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও অস্ত্রসহ মোট ০৮টি মামলা রয়েছে।
র্যাব জানায়, জননিরাপত্তা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
রাজধানীর ডেমরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—চক্রের মূল হোতা মোঃ আলামিন ওরফে ‘মোটা আলামিন’ এবং তার সহযোগী চালক মোঃ রায়হান।
শনিবার (০২ মে ২০২৬) রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক।
র্যাব জানায়, ডেমরার আমান মার্কেট মেন্দিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে মেন্দীপুর বাজারের সিএনজি পাম্প এলাকা থেকে মাইক্রোবাসসহ চালক রায়হানকে গ্রেফতার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ০১টি বিদেশি পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন ও ০৪ রাউন্ড গুলি। থানা থেকে লুট হওয়া ০২টি হ্যান্ডকাপ। ০৬টি র্যাব কটি, ০১টি ওয়াকিটকি ও ০১টি সেনাবাহিনীর মাস্ক। ডাকাতিতে ব্যবহৃত ০১টি মাইক্রোবাস, পুলিশ স্টিকার এবং ভুয়া নাম্বার প্লেট।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বাস বা মাইক্রোবাস থামিয়ে র্যাব, পুলিশ বা সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি করে আসছিল। কখনও যৌথ অভিযানের নামে আবার কখনও অস্ত্র দেখিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুটে নিত তারা। আলামিন এই চক্রের নেতৃত্ব দিতেন এবং রায়হান চালক হিসেবে গাড়ি সরবরাহ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ করতেন।
গ্রেফতারকৃত আলামিন একজন পেশাদার ডাকাত। ২০২৩ সালে কেরানীগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৭১ লক্ষ টাকা লুটের ঘটনায় তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন। গত বছর মে মাসেও তিনি র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলগাঁও, মুগদা, কেরানীগঞ্জ এবং টাঙ্গাইল ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও অস্ত্রসহ মোট ০৮টি মামলা রয়েছে।
র্যাব জানায়, জননিরাপত্তা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন