রাজধানীর খিলগাঁও থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিটি অলিতে-গলিতে এখন চলে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য মহড়া এবং নিয়মিত আড্ডাবাজি।
স্থানীয়রা জানান, বারংবার থানায় খবর দেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব। একটি বিশ্বস্ত সূত্র মতে, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে অর্থের বিনিময়ে হাত করে রেখেছে। এমনকি যারা অভিযোগ করেন, তাদের নাম-ঠিকানা পুলিশের পক্ষ থেকেই সন্ত্রাসীদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
থানার একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে মাঠ পর্যায়ের সৎ কর্মকর্তারা কাজ করতে পারছেন না।
গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে খিলগাঁও থানাধীন আদর্শ বাগ রজনীগন্ধা রোডের অফিস ও বাসায় খিলগাঁও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক পাপ্পু চৌধুরীর ওপর কিশোর গ্যাংয়ের এক সন্ত্রাসী গ্রুপ অতর্কিত হামলা চালায়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার সময় খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অথচ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকের করা দুটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বর্তমানে কোনো সুরাহা ছাড়াই পড়ে আছে।
ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব সন্ত্রাস নির্মূলের কথা বললেও মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের নিস্পৃহতায় জননিরাপত্তা হুমকির মুখে। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের দাবি, বর্তমানের দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দ্রুত ধার্মিক ও সৎ কর্মকর্তাদের নিয়োগ না দিলে জননিরাপত্তা আরও ভেঙে পড়বে। ভুক্তভোগীরা এখন র্যাব ও ডিবির কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
উল্লেখ্য যে, আগামীতে খিলগাঁও এলাকার একাধিক কিশোর গ্যাং গ্রুপ ও সন্ত্রাসী অস্ত্রবাজদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। চোখ রাখুন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
রাজধানীর খিলগাঁও থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিটি অলিতে-গলিতে এখন চলে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য মহড়া এবং নিয়মিত আড্ডাবাজি।
স্থানীয়রা জানান, বারংবার থানায় খবর দেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব। একটি বিশ্বস্ত সূত্র মতে, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে অর্থের বিনিময়ে হাত করে রেখেছে। এমনকি যারা অভিযোগ করেন, তাদের নাম-ঠিকানা পুলিশের পক্ষ থেকেই সন্ত্রাসীদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
থানার একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে মাঠ পর্যায়ের সৎ কর্মকর্তারা কাজ করতে পারছেন না।
গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে খিলগাঁও থানাধীন আদর্শ বাগ রজনীগন্ধা রোডের অফিস ও বাসায় খিলগাঁও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক পাপ্পু চৌধুরীর ওপর কিশোর গ্যাংয়ের এক সন্ত্রাসী গ্রুপ অতর্কিত হামলা চালায়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার সময় খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অথচ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকের করা দুটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বর্তমানে কোনো সুরাহা ছাড়াই পড়ে আছে।
ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব সন্ত্রাস নির্মূলের কথা বললেও মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের নিস্পৃহতায় জননিরাপত্তা হুমকির মুখে। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের দাবি, বর্তমানের দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দ্রুত ধার্মিক ও সৎ কর্মকর্তাদের নিয়োগ না দিলে জননিরাপত্তা আরও ভেঙে পড়বে। ভুক্তভোগীরা এখন র্যাব ও ডিবির কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
উল্লেখ্য যে, আগামীতে খিলগাঁও এলাকার একাধিক কিশোর গ্যাং গ্রুপ ও সন্ত্রাসী অস্ত্রবাজদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। চোখ রাখুন।

আপনার মতামত লিখুন