মুখের ঘা হলো গালের ভেতরে, ঠোঁটে বা জিহ্বায় দেখা দেওয়া ছোট ও যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত। এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর পেছনে মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন বা পুষ্টির অভাবের পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও বড় ভূমিকা পালন করে।
কিছু নির্দিষ্ট খাবার সরাসরি মুখের ঘা সৃষ্টি করতে পারে অথবা বিদ্যমান ঘায়ের জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে তা নিরাময়ে বিলম্ব ঘটাতে পারে।
‘জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল রিসার্চ’-এ প্রকাশিত ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের ঘা পুনরায় হওয়ার ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। ৭৫৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর চালানো এই গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত ফল খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করলে মুখের ঘা হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। ফলে থাকা ভিটামিন সি ও ফোলেট এবং পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মুখের ভেতরের আস্তরণকে রক্ষা করে।
জেনে নিন কোন খাবারগুলো মুখের ঘা সৃষ্টি বা এর তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে:
১. ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার:
মরিচ, হট সস এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার মুখের ভেতরের নরম আস্তরণে সরাসরি জ্বালা সৃষ্টি করে। এর ফলে তীব্র ব্যথা হতে পারে এবং নতুন ঘা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
২. অম্লীয় (এসিডিক) খাবার ও পানীয়:
কমলা, লেবু, জাম্বুরা ও টমেটোর মতো টক বা অম্লীয় ফল এবং ভিনেগারজাতীয় খাবার ক্ষত নিরাময়ের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। যাদের ক্যানকার সোর (মুখের ঘা) হওয়ার প্রবণতা আছে, তাদের এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।
৩. লবণাক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস:
চিপস, চানাচুর বা অতিরিক্ত লবণাক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকা বাড়তি লবণ মুখের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে প্রদাহ (ইনফ্লেমেশন) সৃষ্টি করে, যা পরে ঘায়ে রূপ নিতে পারে।
৪. শক্ত ও মচমচে খাবার:
টোস্ট বিস্কুট, ক্র্যাকার এবং শক্ত বাদামের ধারালো প্রান্ত মুখের ভেতরের নরম আস্তরণে সামান্য শারীরিক আঘাত বা আঁচড়ের সৃষ্টি করতে পারে। এই ছোট ক্ষতগুলোই পরবর্তীতে আলসারে পরিণত হয়।
৫. অ্যালার্জি ও সংবেদনশীলতা তৈরি করা খাবার:
ব্যক্তিভেদে নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি সংবেদনশীলতা মুখের ঘায়ের কারণ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে চকোলেট, কফি, স্ট্রবেরি বা নির্দিষ্ট কোনো বাদাম খাওয়ার পর মুখে আলসার দেখা দেয়। তাই নিজের জন্য ক্ষতিকর খাবারটি নিজে শনাক্ত করা জরুরি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
মুখের ঘা হলো গালের ভেতরে, ঠোঁটে বা জিহ্বায় দেখা দেওয়া ছোট ও যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত। এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর পেছনে মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন বা পুষ্টির অভাবের পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও বড় ভূমিকা পালন করে।
কিছু নির্দিষ্ট খাবার সরাসরি মুখের ঘা সৃষ্টি করতে পারে অথবা বিদ্যমান ঘায়ের জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে তা নিরাময়ে বিলম্ব ঘটাতে পারে।
‘জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল রিসার্চ’-এ প্রকাশিত ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের ঘা পুনরায় হওয়ার ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। ৭৫৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর চালানো এই গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত ফল খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করলে মুখের ঘা হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। ফলে থাকা ভিটামিন সি ও ফোলেট এবং পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মুখের ভেতরের আস্তরণকে রক্ষা করে।
জেনে নিন কোন খাবারগুলো মুখের ঘা সৃষ্টি বা এর তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে:
১. ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার:
মরিচ, হট সস এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার মুখের ভেতরের নরম আস্তরণে সরাসরি জ্বালা সৃষ্টি করে। এর ফলে তীব্র ব্যথা হতে পারে এবং নতুন ঘা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
২. অম্লীয় (এসিডিক) খাবার ও পানীয়:
কমলা, লেবু, জাম্বুরা ও টমেটোর মতো টক বা অম্লীয় ফল এবং ভিনেগারজাতীয় খাবার ক্ষত নিরাময়ের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। যাদের ক্যানকার সোর (মুখের ঘা) হওয়ার প্রবণতা আছে, তাদের এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।
৩. লবণাক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস:
চিপস, চানাচুর বা অতিরিক্ত লবণাক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকা বাড়তি লবণ মুখের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে প্রদাহ (ইনফ্লেমেশন) সৃষ্টি করে, যা পরে ঘায়ে রূপ নিতে পারে।
৪. শক্ত ও মচমচে খাবার:
টোস্ট বিস্কুট, ক্র্যাকার এবং শক্ত বাদামের ধারালো প্রান্ত মুখের ভেতরের নরম আস্তরণে সামান্য শারীরিক আঘাত বা আঁচড়ের সৃষ্টি করতে পারে। এই ছোট ক্ষতগুলোই পরবর্তীতে আলসারে পরিণত হয়।
৫. অ্যালার্জি ও সংবেদনশীলতা তৈরি করা খাবার:
ব্যক্তিভেদে নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি সংবেদনশীলতা মুখের ঘায়ের কারণ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে চকোলেট, কফি, স্ট্রবেরি বা নির্দিষ্ট কোনো বাদাম খাওয়ার পর মুখে আলসার দেখা দেয়। তাই নিজের জন্য ক্ষতিকর খাবারটি নিজে শনাক্ত করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন