গোপালগঞ্জ শহরের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেট এলাকায় ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি মামলায় মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালীন মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণ ও বিক্রির পাশাপাশি নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ঔষধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়; ছবি: সংগৃহীত
এসব কার্যক্রম ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অভিযান শেষে দুইটি পৃথক মামলায় মোট ২০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয় এবং আদায়কৃত জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম ফয়জুল বারী। অভিযানের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঔষধ বিক্রয়ে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে জনগণ নিরাপদ ও মানসম্মত ঔষধ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ শহরের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেট এলাকায় ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি মামলায় মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালীন মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণ ও বিক্রির পাশাপাশি নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ঔষধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়; ছবি: সংগৃহীত
এসব কার্যক্রম ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অভিযান শেষে দুইটি পৃথক মামলায় মোট ২০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয় এবং আদায়কৃত জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম ফয়জুল বারী। অভিযানের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঔষধ বিক্রয়ে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে জনগণ নিরাপদ ও মানসম্মত ঔষধ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন