২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বাজার বাস্তবতা ও মাঠপর্যায়ের চিত্র উপেক্ষা করে সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দাম নির্ধারণ করায় সরকারের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এক বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেছে।
সোমবার (২২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘তামাক খাতের কর ও নীতি সংস্কার’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য ও বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি সঠিক মূল্যায়ন না করে কেবল কাগুজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।
সিগারেটের বিভিন্ন স্তরের দামের মারপ্যাঁচ ও পার্থক্যকে কেন্দ্র করে যে রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, তা দ্রুত বন্ধে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।"
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান আরও বলেন, "ই-সিগারেট বিষয়ে সরকারের বর্তমান অবস্থান ভুল এবং এর সংজ্ঞায়ন অত্যন্ত দুর্বল করা হয়েছে। অতীতে ই-সিগারেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের জোরালো উদ্যোগ থাকলেও, বর্তমান বাজেটে এর ওপর কর আরোপের মাধ্যমে পণ্যটিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাউচজাতীয় নতুন তামাকপণ্যকে বৈধতা দেওয়ার এই প্রচেষ্টা তরুণ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াবে।"
রাজস্ব ক্ষতি রোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পিপিআরসির পক্ষ থেকে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম পুনর্নির্ধারণের জোর দাবি জানানো হয়। তাদের প্রস্তাবনাসমূহ হলো:
১০ শলাকার প্যাকেটের দাম বর্তমান প্রস্তাবিত ৬২ টাকার পরিবর্তে ৭০ টাকা করা।
মধ্যম স্তরের সিগারেট ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম বর্তমান প্রস্তাবিত ৯২ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা।
বক্তারা মনে করেন, এই দাম সমন্বয় করা হলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বাজার বাস্তবতা ও মাঠপর্যায়ের চিত্র উপেক্ষা করে সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দাম নির্ধারণ করায় সরকারের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এক বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেছে।
সোমবার (২২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘তামাক খাতের কর ও নীতি সংস্কার’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য ও বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি সঠিক মূল্যায়ন না করে কেবল কাগুজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।
সিগারেটের বিভিন্ন স্তরের দামের মারপ্যাঁচ ও পার্থক্যকে কেন্দ্র করে যে রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, তা দ্রুত বন্ধে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।"
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান আরও বলেন, "ই-সিগারেট বিষয়ে সরকারের বর্তমান অবস্থান ভুল এবং এর সংজ্ঞায়ন অত্যন্ত দুর্বল করা হয়েছে। অতীতে ই-সিগারেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের জোরালো উদ্যোগ থাকলেও, বর্তমান বাজেটে এর ওপর কর আরোপের মাধ্যমে পণ্যটিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাউচজাতীয় নতুন তামাকপণ্যকে বৈধতা দেওয়ার এই প্রচেষ্টা তরুণ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াবে।"
রাজস্ব ক্ষতি রোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পিপিআরসির পক্ষ থেকে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম পুনর্নির্ধারণের জোর দাবি জানানো হয়। তাদের প্রস্তাবনাসমূহ হলো:
১০ শলাকার প্যাকেটের দাম বর্তমান প্রস্তাবিত ৬২ টাকার পরিবর্তে ৭০ টাকা করা।
মধ্যম স্তরের সিগারেট ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম বর্তমান প্রস্তাবিত ৯২ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা।
বক্তারা মনে করেন, এই দাম সমন্বয় করা হলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন