“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। জনবান্ধব রাজনীতি করতে চাই, মানুষের পাশে থাকতে চাই”—এভাবেই নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরলেন ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দিন।
মো. আশরাফ উদ্দিন বর্তমানে ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উত্তরখান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সিনিয়র সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। তাঁর পিতা সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ছিলেন।
রাজনৈতিক পথচলা সম্পর্কে আশরাফ উদ্দিন বলেন, দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় থেকেই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তিনি মনে করেন, দীর্ঘদিন মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এখন জনগণ ভালো আছে। কিন্তু বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকারের আমলে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে ছিল।”
বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, গঠনমূলক আলোচনা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে তিনি স্বাগত জানান। তাঁর মতে, মতভেদ থাকতেই পারে, তবে জনস্বার্থে আলোচনার দরজা খোলা থাকা উচিত।
নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে আশরাফ উদ্দিন বলেন, গ্যাস সংকট, ভাঙাচোরা রাস্তা, ময়লা-আবর্জনার স্তূপ এবং রাতের বেলায় পর্যাপ্ত সড়কবাতির অভাব—এসব কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মানুষের কষ্ট আমি কাছ থেকে দেখি। সুযোগ পেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করব।”
তিনি জানান, যদি জনগণের সমর্থনে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান, তবে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন। তাঁর অঙ্গীকার—এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য তিনি অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকলে সাধারণ মানুষ আরও চাপে পড়বে।
একই সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণের ওপর জোর দেন।
বেকারত্ব নিরসনে তাঁর প্রস্তাব হলো বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা, যাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং তরুণদের জন্য আয়ের পথ তৈরি হয়।
তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে আশরাফ উদ্দিন বলেন, “মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে, খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে হবে।” তিনি মনে করেন, তরুণদের সঠিক পথে রাখতে পারলে সমাজে অপরাধ, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।
নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আশরাফ উদ্দিন বলেন, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি আরও বলেন, “আমি রাজনীতির বাইরেও অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থাকতে ভালোবাসি। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। দল আমার কাজের মূল্যায়ন করবে—এটাই প্রত্যাশা।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এলাকার সমস্যা চিরতরে দূর করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। জনবান্ধব রাজনীতি করতে চাই, মানুষের পাশে থাকতে চাই”—এভাবেই নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরলেন ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দিন।
মো. আশরাফ উদ্দিন বর্তমানে ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উত্তরখান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সিনিয়র সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। তাঁর পিতা সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ছিলেন।
রাজনৈতিক পথচলা সম্পর্কে আশরাফ উদ্দিন বলেন, দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় থেকেই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তিনি মনে করেন, দীর্ঘদিন মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এখন জনগণ ভালো আছে। কিন্তু বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকারের আমলে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে ছিল।”
বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, গঠনমূলক আলোচনা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে তিনি স্বাগত জানান। তাঁর মতে, মতভেদ থাকতেই পারে, তবে জনস্বার্থে আলোচনার দরজা খোলা থাকা উচিত।
নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে আশরাফ উদ্দিন বলেন, গ্যাস সংকট, ভাঙাচোরা রাস্তা, ময়লা-আবর্জনার স্তূপ এবং রাতের বেলায় পর্যাপ্ত সড়কবাতির অভাব—এসব কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মানুষের কষ্ট আমি কাছ থেকে দেখি। সুযোগ পেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করব।”
তিনি জানান, যদি জনগণের সমর্থনে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান, তবে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন। তাঁর অঙ্গীকার—এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য তিনি অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকলে সাধারণ মানুষ আরও চাপে পড়বে।
একই সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণের ওপর জোর দেন।
বেকারত্ব নিরসনে তাঁর প্রস্তাব হলো বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা, যাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং তরুণদের জন্য আয়ের পথ তৈরি হয়।
তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে আশরাফ উদ্দিন বলেন, “মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে, খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে হবে।” তিনি মনে করেন, তরুণদের সঠিক পথে রাখতে পারলে সমাজে অপরাধ, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।
নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আশরাফ উদ্দিন বলেন, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি আরও বলেন, “আমি রাজনীতির বাইরেও অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থাকতে ভালোবাসি। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। দল আমার কাজের মূল্যায়ন করবে—এটাই প্রত্যাশা।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এলাকার সমস্যা চিরতরে দূর করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন