রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তহরুল ইসলাম (৩২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (২৫ জুন ২০২৬) রাত ১১:৩০ ঘটিকায় উত্তরখান থানাধীন মাজার তালতলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাজার তালতলা এলাকায় কামরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া তহরুল ইসলামের কক্ষ তল্লাশি করে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তহরুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার কালিগঞ্জ সদর এলাকার মজনু রহমান ও মোছাঃ পানতারা বেগমের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে উত্তরখানের ওই এলাকায় ভাড়া থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে উত্তরখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, "মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফোর্সসহ সফল অভিযানটি চালানো হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"
স্থানীয়রা পুলিশের এই কঠোর অভিযানের প্রশংসা করেছেন এবং এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তহরুল ইসলাম (৩২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (২৫ জুন ২০২৬) রাত ১১:৩০ ঘটিকায় উত্তরখান থানাধীন মাজার তালতলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাজার তালতলা এলাকায় কামরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া তহরুল ইসলামের কক্ষ তল্লাশি করে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তহরুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার কালিগঞ্জ সদর এলাকার মজনু রহমান ও মোছাঃ পানতারা বেগমের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে উত্তরখানের ওই এলাকায় ভাড়া থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে উত্তরখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, "মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফোর্সসহ সফল অভিযানটি চালানো হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"
স্থানীয়রা পুলিশের এই কঠোর অভিযানের প্রশংসা করেছেন এবং এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন