বরিশালের বাকেরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ মিড-ডে মিলের ডিম ও রুটি ব্যাগে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রেশমা আক্তার মিষ্টি, যিনি চরাদি ইউনিয়নের রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকের ব্যাগ তল্লাশি করেন। এ সময় তার ব্যাগ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের দুই ডজন ডিম ও ২২টি রুটি উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (২৬ জুন) এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের খাদ্যসামগ্রী নিয়মিত আত্মসাৎ করে আসছেন। তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রেশমা আক্তার মিষ্টির দাবি, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ মিড-ডে মিলের ডিম ও রুটি ব্যাগে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রেশমা আক্তার মিষ্টি, যিনি চরাদি ইউনিয়নের রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকের ব্যাগ তল্লাশি করেন। এ সময় তার ব্যাগ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের দুই ডজন ডিম ও ২২টি রুটি উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (২৬ জুন) এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের খাদ্যসামগ্রী নিয়মিত আত্মসাৎ করে আসছেন। তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রেশমা আক্তার মিষ্টির দাবি, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন