রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) দালাল বিরোধী অভিযান চালিয়েছে র্যাব-২।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দালাল চক্রের ১২ সদস্যকে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৪ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ (উপসচিব)।
র্যাব-২ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের দ্রুত ও ভালো সেবা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সতর্কীকরণ নোটিশ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও দালালরা তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল।
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও হয়রানি রোধে র্যাব-২ ওই হাসপাতালগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। র্যাব-২ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোগীদের দালালমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) দালাল বিরোধী অভিযান চালিয়েছে র্যাব-২।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দালাল চক্রের ১২ সদস্যকে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৪ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ (উপসচিব)।
র্যাব-২ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের দ্রুত ও ভালো সেবা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সতর্কীকরণ নোটিশ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও দালালরা তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল।
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও হয়রানি রোধে র্যাব-২ ওই হাসপাতালগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। র্যাব-২ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোগীদের দালালমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন