রাজধানীর মহাখালী সাততলা বস্তি থেকে অপহৃত ৬ বছর বয়সী শিশু আতিকুলকে অক্ষত উদ্ধার এবং বনানী এলাকা থেকে একটি বড় প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বনানী থানা পুলিশ। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি ফিরে এসেছে।
পুলিশ জানায়, মহাখালী সাততলা বস্তি থেকে অপহৃত শিশু আতিকুলকে উদ্ধার করতে বনানী থানা পুলিশ একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে। অপহরণের পর পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা এবং নিখুঁত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আতিকুলের অবস্থান শনাক্ত করে। অবশেষে চট্টগ্রাম থেকে শিশুটিকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে ফিরে পেয়ে আতিকুলের পরিবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
শিশু উদ্ধারের পাশাপাশি বনানী থানা পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি কুখ্যাত ও সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, শহিদুল চেয়ারম্যান, শাজাহান, মহিউদ্দিন মাতুব্বর
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান, এই চক্রটি মূলত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের টার্গেট করত। তারা বিভিন্ন উপায়ে ভুক্তভোগীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে আকর্ষণীয় ও লোভনীয় চাকরির অফার দিত। এরপর নির্দিষ্ট স্থানে ডেকে এনে কোম্পানিতে পার্টনারশিপ বা বিনিয়োগের নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত।
মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য তারা বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় আলিশান অস্থায়ী অফিস সাজাত। তবে কোনো স্থানেই তারা ১০ দিনের বেশি অবস্থান করত না এবং প্রতারণার সময় সবসময় ছদ্মনাম ব্যবহার করত। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরপরই তারা দামি আসবাবপত্র ফেলে রেখে দ্রুত গা-ঢাকা দিত।
একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে বনানী থানা পুলিশ তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে এবং নিখুঁত অভিযানের মাধ্যমে এই চক্রটিকে আইনের আওতায় আনে। গ্রেফতারের পর আসামিদের ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দ্রুততম সময়ে অপহৃত শিশু উদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী চক্রকে ধরে পুলিশ প্রমাণ করেছে যে, জনগণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে তারা সর্বদা নিয়োজিত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর মহাখালী সাততলা বস্তি থেকে অপহৃত ৬ বছর বয়সী শিশু আতিকুলকে অক্ষত উদ্ধার এবং বনানী এলাকা থেকে একটি বড় প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বনানী থানা পুলিশ। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি ফিরে এসেছে।
পুলিশ জানায়, মহাখালী সাততলা বস্তি থেকে অপহৃত শিশু আতিকুলকে উদ্ধার করতে বনানী থানা পুলিশ একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে। অপহরণের পর পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা এবং নিখুঁত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আতিকুলের অবস্থান শনাক্ত করে। অবশেষে চট্টগ্রাম থেকে শিশুটিকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে ফিরে পেয়ে আতিকুলের পরিবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
শিশু উদ্ধারের পাশাপাশি বনানী থানা পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি কুখ্যাত ও সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, শহিদুল চেয়ারম্যান, শাজাহান, মহিউদ্দিন মাতুব্বর
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান, এই চক্রটি মূলত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের টার্গেট করত। তারা বিভিন্ন উপায়ে ভুক্তভোগীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে আকর্ষণীয় ও লোভনীয় চাকরির অফার দিত। এরপর নির্দিষ্ট স্থানে ডেকে এনে কোম্পানিতে পার্টনারশিপ বা বিনিয়োগের নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত।
মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য তারা বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় আলিশান অস্থায়ী অফিস সাজাত। তবে কোনো স্থানেই তারা ১০ দিনের বেশি অবস্থান করত না এবং প্রতারণার সময় সবসময় ছদ্মনাম ব্যবহার করত। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরপরই তারা দামি আসবাবপত্র ফেলে রেখে দ্রুত গা-ঢাকা দিত।
একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে বনানী থানা পুলিশ তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে এবং নিখুঁত অভিযানের মাধ্যমে এই চক্রটিকে আইনের আওতায় আনে। গ্রেফতারের পর আসামিদের ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দ্রুততম সময়ে অপহৃত শিশু উদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী চক্রকে ধরে পুলিশ প্রমাণ করেছে যে, জনগণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে তারা সর্বদা নিয়োজিত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন