টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল চাপে বান্দরবান শহরের আর্মি পাড়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকার নিম্নাঞ্চল এখন পুরোপুরি পানির নিচে। আকস্মিক এই বন্যায় ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আর্মি পাড়ার অনেক বসতবাড়ির একতলা ও দোতলা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। জীবন বাঁচাতে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। শহরের প্রধান সড়কগুলোর অনেক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হলেও পানির প্রচণ্ড স্রোত এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, রাতের বেলা নতুন করে বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে এবং প্লাবিত এলাকার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানিবন্দি মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করা হচ্ছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ ও উদ্ধারসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না স্থানীয়দের।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল চাপে বান্দরবান শহরের আর্মি পাড়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকার নিম্নাঞ্চল এখন পুরোপুরি পানির নিচে। আকস্মিক এই বন্যায় ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আর্মি পাড়ার অনেক বসতবাড়ির একতলা ও দোতলা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। জীবন বাঁচাতে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। শহরের প্রধান সড়কগুলোর অনেক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হলেও পানির প্রচণ্ড স্রোত এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, রাতের বেলা নতুন করে বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে এবং প্লাবিত এলাকার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানিবন্দি মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করা হচ্ছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ ও উদ্ধারসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন