রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে চোরাই ও ছিনতাই করা মোবাইল ফোন কেনা-বেচার একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন, ট্যাব, ডিসপ্লে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. মুন্না শেখ (২৯), মো. নাসির উদ্দিন শান্ত (২৬) ও মো. নাসিম (২৮)।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের উপ-অধিনায়ক নিফাজ রহমান।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। ব্যাচেলর পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে তারা এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়, ৫টি নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ১২৬টি পুরোনো মোবাইল ফোন, ১৬৫টি মোবাইল ডিসপ্লে, ১৬টি পুরোনো ট্যাব, ৬৫টি মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ
সংবাদ সম্মেলনে নিফাজ রহমান জানান, চক্রটি চোর ও ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে মোবাইল কিনে কম দামে বিক্রি করত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রযুক্তিগত নজরদারি এড়াতে তারা মোবাইল ফোনগুলো খুলে যন্ত্রাংশ আলাদা করে বিক্রি করত। এমনকি ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর পরিবর্তন করে বিভিন্ন অপরাধী চক্রকে সহায়তার কাজও করত তারা।
র্যাবের উপ-অধিনায়ক আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে চোর বা ছিনতাইকারী ধরা পড়লেও এই সিন্ডিকেটের মূল হোতারা অনেক সময় আড়ালে থাকে। চক্রটির বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে চোরাই ও ছিনতাই করা মোবাইল ফোন কেনা-বেচার একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন, ট্যাব, ডিসপ্লে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. মুন্না শেখ (২৯), মো. নাসির উদ্দিন শান্ত (২৬) ও মো. নাসিম (২৮)।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের উপ-অধিনায়ক নিফাজ রহমান।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। ব্যাচেলর পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে তারা এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়, ৫টি নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ১২৬টি পুরোনো মোবাইল ফোন, ১৬৫টি মোবাইল ডিসপ্লে, ১৬টি পুরোনো ট্যাব, ৬৫টি মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ
সংবাদ সম্মেলনে নিফাজ রহমান জানান, চক্রটি চোর ও ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে মোবাইল কিনে কম দামে বিক্রি করত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রযুক্তিগত নজরদারি এড়াতে তারা মোবাইল ফোনগুলো খুলে যন্ত্রাংশ আলাদা করে বিক্রি করত। এমনকি ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর পরিবর্তন করে বিভিন্ন অপরাধী চক্রকে সহায়তার কাজও করত তারা।
র্যাবের উপ-অধিনায়ক আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে চোর বা ছিনতাইকারী ধরা পড়লেও এই সিন্ডিকেটের মূল হোতারা অনেক সময় আড়ালে থাকে। চক্রটির বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন