চলছে আষাঢ় মাস। কখনো তীব্র রোদ, আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি— আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালি রূপের প্রভাব সরাসরি পড়ে আমাদের ত্বকে। বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে এই ঋতুতে সব ধরনের ত্বকই বেশ ম্যাড়মেড়ে, অনুজ্জ্বল ও নাজুক হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে বাড়ি কিংবা বাইরে, ত্বকের প্রয়োজন বাড়তি যত্ন ও সুরক্ষা।
বর্ষায় ত্বকের সজীবতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে কিছু সহজ ঘরোয়া টিপস নিচে দেওয়া হলো:
বৃষ্টিতে ভিজলে শুধু মুখ মুছলেই চলবে না, পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে টোনিং করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য টোনার ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। গরম ও বর্ষার এই সময়ে ডিপ ক্লিনিংয়ের জন্য ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা শসা কুচি করে ত্বকে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিতে পারেন।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক: তৈলাক্ত ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। মিশ্র ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ডিমের সাদা অংশ, মধু, লেবুর রস ও দুধের সরের পেস্ট চমৎকার কাজ করে।
ব্রণের দাগ দূর করতে: ব্রণ বা দাগের জন্য শসা, গোলাপজল ও কাঁচা হলুদের পেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
শুষ্ক ত্বক: ২০০ মিলি গ্লিসারিন ও ২০০ মিলি গোলাপজল একসঙ্গে বোতলে মিশিয়ে রেখে সারা শরীরে ম্যাসাজ করুন। এরপর গ্লিসারিনযুক্ত সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে।
বলিরেখা ও টানটান ভাব: একটি ডিমের সাদা অংশ এগ বিটার দিয়ে ফোম করে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে মুখ ও নাকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে।
চুলের যত্ন: বৃষ্টির পানিতে চুল ভিজলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে, না হলে গোড়ায় ময়লা জমে ক্ষতি হতে পারে। চুলের সুরক্ষায় টকদই, পাকা পেঁপে ও কলা একসঙ্গে চটকে প্যাক বানিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।
পায়ের যত্ন: বাইরে থেকে ফেরার পর গরম পানিতে চায়ের লিকার দিয়ে পা দুটি ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর চিনি ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব করে পা ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান।
আলু ও পাতিলেবুর রস অথবা পাতিলেবুর রস ও গরুর কাঁচা দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক পরিষ্কার হয়।
কাঁচাহলুদ বাটা, দুধ, চন্দন বাটা, গোলাপের পাপড়ি বাটা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন।
এ ছাড়া মসুর ডাল বাটা, মুলতানি মাটি, গোলাপজল, লেবুর খোসা বাটা, মধু ও নিমপাতা বাটার পেস্ট মুখ ও গলার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
এই প্রাকৃতিক মিশ্রণগুলো গোসলের সময় সাবানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার হয়ে ত্বক কোমল ও মসৃণ হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
চলছে আষাঢ় মাস। কখনো তীব্র রোদ, আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি— আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালি রূপের প্রভাব সরাসরি পড়ে আমাদের ত্বকে। বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে এই ঋতুতে সব ধরনের ত্বকই বেশ ম্যাড়মেড়ে, অনুজ্জ্বল ও নাজুক হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে বাড়ি কিংবা বাইরে, ত্বকের প্রয়োজন বাড়তি যত্ন ও সুরক্ষা।
বর্ষায় ত্বকের সজীবতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে কিছু সহজ ঘরোয়া টিপস নিচে দেওয়া হলো:
বৃষ্টিতে ভিজলে শুধু মুখ মুছলেই চলবে না, পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে টোনিং করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য টোনার ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। গরম ও বর্ষার এই সময়ে ডিপ ক্লিনিংয়ের জন্য ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা শসা কুচি করে ত্বকে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিতে পারেন।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক: তৈলাক্ত ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। মিশ্র ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ডিমের সাদা অংশ, মধু, লেবুর রস ও দুধের সরের পেস্ট চমৎকার কাজ করে।
ব্রণের দাগ দূর করতে: ব্রণ বা দাগের জন্য শসা, গোলাপজল ও কাঁচা হলুদের পেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
শুষ্ক ত্বক: ২০০ মিলি গ্লিসারিন ও ২০০ মিলি গোলাপজল একসঙ্গে বোতলে মিশিয়ে রেখে সারা শরীরে ম্যাসাজ করুন। এরপর গ্লিসারিনযুক্ত সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে।
বলিরেখা ও টানটান ভাব: একটি ডিমের সাদা অংশ এগ বিটার দিয়ে ফোম করে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে মুখ ও নাকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে।
চুলের যত্ন: বৃষ্টির পানিতে চুল ভিজলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে, না হলে গোড়ায় ময়লা জমে ক্ষতি হতে পারে। চুলের সুরক্ষায় টকদই, পাকা পেঁপে ও কলা একসঙ্গে চটকে প্যাক বানিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।
পায়ের যত্ন: বাইরে থেকে ফেরার পর গরম পানিতে চায়ের লিকার দিয়ে পা দুটি ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর চিনি ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব করে পা ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান।
আলু ও পাতিলেবুর রস অথবা পাতিলেবুর রস ও গরুর কাঁচা দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক পরিষ্কার হয়।
কাঁচাহলুদ বাটা, দুধ, চন্দন বাটা, গোলাপের পাপড়ি বাটা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন।
এ ছাড়া মসুর ডাল বাটা, মুলতানি মাটি, গোলাপজল, লেবুর খোসা বাটা, মধু ও নিমপাতা বাটার পেস্ট মুখ ও গলার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
এই প্রাকৃতিক মিশ্রণগুলো গোসলের সময় সাবানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার হয়ে ত্বক কোমল ও মসৃণ হয়ে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন