রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মববাজদের কবলে পড়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন তিনজন সিনিয়র সাংবাদিক।
বুধবার রাত ১০টার পর তেজগাঁও এলাকার ইম্পালস হাসপাতালের সামনে ‘আল মদিনা’ রেস্টুরেন্টে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। মবের শিকার সাংবাদিকরা হলেন জয় ই মামুন, প্রভাষ আমিন এবং মুন্নী সাহা।
জানা গেছে, ঘটনার সময় সাংবাদিকরা সেখানে অবস্থানকালে উত্তেজিত জনতা তাদের ঘিরে ফেলে এবং নানাভাবে হয়রানি করে। খবর পেয়ে সহকর্মী ও সহযোদ্ধাদের দ্রুত তৎপরতা এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তারা নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হন।
এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এ ধরনের মব কালচার দীর্ঘমেয়াদী হলে তা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বিকল করে দিতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেশা কিংবা রাজনীতিতে মতপার্থক্য বা ভিন্ন অবস্থান থাকতেই পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হেনস্তা করার সুযোগ নেই।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মববাজদের কবলে পড়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন তিনজন সিনিয়র সাংবাদিক।
বুধবার রাত ১০টার পর তেজগাঁও এলাকার ইম্পালস হাসপাতালের সামনে ‘আল মদিনা’ রেস্টুরেন্টে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। মবের শিকার সাংবাদিকরা হলেন জয় ই মামুন, প্রভাষ আমিন এবং মুন্নী সাহা।
জানা গেছে, ঘটনার সময় সাংবাদিকরা সেখানে অবস্থানকালে উত্তেজিত জনতা তাদের ঘিরে ফেলে এবং নানাভাবে হয়রানি করে। খবর পেয়ে সহকর্মী ও সহযোদ্ধাদের দ্রুত তৎপরতা এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তারা নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হন।
এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এ ধরনের মব কালচার দীর্ঘমেয়াদী হলে তা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বিকল করে দিতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেশা কিংবা রাজনীতিতে মতপার্থক্য বা ভিন্ন অবস্থান থাকতেই পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হেনস্তা করার সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন