স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতেই এই অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান। শনিবার (১৮ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর উদ্দেশ্য উত্তরণ বিলম্বিত করা নয়, বরং ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ এবং একটি টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়ন করা।
ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতেই এই অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান। শনিবার (১৮ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর উদ্দেশ্য উত্তরণ বিলম্বিত করা নয়, বরং ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ এবং একটি টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়ন করা।
ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

আপনার মতামত লিখুন