স্ক্রিপ নেটিং বা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চালুর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলসহ ছয় দফা দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের কাছে চিঠি দিয়েছে ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত পরিষদ’ (বিসিএমআইইউএ)।
রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো শেষে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়কালে এই চিঠি হস্তান্তর করা হয়। সংগঠনটির সভাপতি আ ন ম আতাউল্লাহ নাঈমের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক শেখ আতিক ইখতিয়ার ও অন্য নেতারা চিঠিটি তুলে দেন।
পর্যাপ্ত মৌলভিত্তিক স্টক না থাকা ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজি ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কায় স্ক্রিপ নেটিং (ইন্ট্রাডে ট্রেডিং) চালুর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করে বিদ্যমান ব্যবস্থা চালু রাখা।
একীভূত হওয়া ৫টি ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের শেয়ার শূন্য ঘোষণা করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে আলোচনা করে তাদের অর্থ ফেরতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
আইনে ৩০-৪০% ফিক্সড ডিপোজিটের নিয়ম থাকলেও ফান্ড ম্যানেজাররা বেআইনিভাবে ৭০-৭৫% অর্থ দুর্বল ব্যাংকে এফডিআর করে রাখছেন। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া ও প্রথম সারির ব্যাংকে ডিপোজিট রাখা নিশ্চিত করা।
ব্যাংকগুলো যেন ডেফারেল প্রভিশনিং উহ্য না রেখে প্রকৃত মুনাফা, ক্যাশফ্লো ও বিস্তারিত বিবরণী বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করে, যাতে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত না হন।
প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে বছরের পর বছর শেয়ার বরাদ্দ না দেওয়া বা ইজিএম/এজিএম না করা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা নেওয়া।
টেক্সটাইল খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে প্রতি কোয়ার্টারে আন-অডিটেড রিপোর্টের বদলে ৬ মাস অন্তর অডিটেড রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
চিঠিতে পুঁজিবাজারের গতিশীলতা রক্ষা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তায় এই দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিএসইসির প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
স্ক্রিপ নেটিং বা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চালুর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলসহ ছয় দফা দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের কাছে চিঠি দিয়েছে ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত পরিষদ’ (বিসিএমআইইউএ)।
রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো শেষে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়কালে এই চিঠি হস্তান্তর করা হয়। সংগঠনটির সভাপতি আ ন ম আতাউল্লাহ নাঈমের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক শেখ আতিক ইখতিয়ার ও অন্য নেতারা চিঠিটি তুলে দেন।
পর্যাপ্ত মৌলভিত্তিক স্টক না থাকা ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজি ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কায় স্ক্রিপ নেটিং (ইন্ট্রাডে ট্রেডিং) চালুর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করে বিদ্যমান ব্যবস্থা চালু রাখা।
একীভূত হওয়া ৫টি ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের শেয়ার শূন্য ঘোষণা করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে আলোচনা করে তাদের অর্থ ফেরতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
আইনে ৩০-৪০% ফিক্সড ডিপোজিটের নিয়ম থাকলেও ফান্ড ম্যানেজাররা বেআইনিভাবে ৭০-৭৫% অর্থ দুর্বল ব্যাংকে এফডিআর করে রাখছেন। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া ও প্রথম সারির ব্যাংকে ডিপোজিট রাখা নিশ্চিত করা।
ব্যাংকগুলো যেন ডেফারেল প্রভিশনিং উহ্য না রেখে প্রকৃত মুনাফা, ক্যাশফ্লো ও বিস্তারিত বিবরণী বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করে, যাতে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত না হন।
প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে বছরের পর বছর শেয়ার বরাদ্দ না দেওয়া বা ইজিএম/এজিএম না করা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা নেওয়া।
টেক্সটাইল খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে প্রতি কোয়ার্টারে আন-অডিটেড রিপোর্টের বদলে ৬ মাস অন্তর অডিটেড রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
চিঠিতে পুঁজিবাজারের গতিশীলতা রক্ষা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তায় এই দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিএসইসির প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন