মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ করেছেন কারারক্ষী সাত্তার।
গাজীপুর জেলা কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী আব্দুস সাত্তার তাঁর বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কারারক্ষী সাত্তার। তাঁর অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে সাত্তারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র ও একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে লাভজনক ডিউটি ও পোস্টিংয়ে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, বন্দিদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায়, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং তাঁর স্ত্রীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুস সাত্তার বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রচারণার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত থাকাকালে এক বন্দির কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। ওই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ধারাবাহিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবেদকের সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, সাত্তারের স্ত্রী সন্তানদের পড়াশোনার সুবিধার্থে দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করছেন, যা তাঁর কর্মস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। অন্যদিকে আব্দুস সাত্তার কর্মস্থলের সিঙ্গেল ব্যারাকে একাই থাকেন। সেখানে পরিবারের সদস্যদের বসবাসের সুযোগ নেই।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আব্দুস সাত্তার বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে পারে। আমি যেকোনো তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
তিনি আরও বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আমি চাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হোক। তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি।”
উল্লেখ্য, আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ—উভয়ই সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য হিসেবে বিবেচ্য। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা নির্ধারিত হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ করেছেন কারারক্ষী সাত্তার।
গাজীপুর জেলা কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী আব্দুস সাত্তার তাঁর বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কারারক্ষী সাত্তার। তাঁর অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে সাত্তারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র ও একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে লাভজনক ডিউটি ও পোস্টিংয়ে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, বন্দিদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায়, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং তাঁর স্ত্রীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুস সাত্তার বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রচারণার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত থাকাকালে এক বন্দির কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। ওই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ধারাবাহিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবেদকের সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, সাত্তারের স্ত্রী সন্তানদের পড়াশোনার সুবিধার্থে দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করছেন, যা তাঁর কর্মস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। অন্যদিকে আব্দুস সাত্তার কর্মস্থলের সিঙ্গেল ব্যারাকে একাই থাকেন। সেখানে পরিবারের সদস্যদের বসবাসের সুযোগ নেই।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আব্দুস সাত্তার বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে পারে। আমি যেকোনো তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
তিনি আরও বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আমি চাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হোক। তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি।”
উল্লেখ্য, আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ—উভয়ই সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য হিসেবে বিবেচ্য। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন