নীলফামারীর ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও তথ্য সংগ্রাহক পদে ভাইভা পরীক্ষায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় প্রভাবের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতা বা সিরিয়াল না মেনে ভাইভা নেওয়া এবং অসাধু উপায়ে বাছাই প্রক্রিয়ার অভিযোগে অনেক সাধারণ পরীক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে পরীক্ষা না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) ডোমার উপজেলা পরিষদে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের প্রধান অভিযোগসমূহ:
স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ভাইভা নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক পরীক্ষার্থী দেরিতে পৌঁছে কর্মকর্তা কিংবা দলীয় নেতাদের সুপারিশে আগে পরীক্ষা দিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন।
সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তার পরিচিত অনেক পরীক্ষার্থীর ভাইভা না নিয়েই বা নামমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সেরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী সিলেকশন করা হচ্ছিল এবং ভাইভার বিষয়টি স্রেফ একটি 'ফর্মালিটি' বা নাটক ছিল।
অভিযোগের ব্যাপারে ডোমার উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ অনিয়মের কথা অস্বীকার করে জানান, সেখানে কোনো দুর্নীতি করার সুযোগ ছিল না। অন্যদিকে, ডোমার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কামরুজ্জামানের সাথে মোবাইল ও খুদে বার্তায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীর ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও তথ্য সংগ্রাহক পদে ভাইভা পরীক্ষায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় প্রভাবের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতা বা সিরিয়াল না মেনে ভাইভা নেওয়া এবং অসাধু উপায়ে বাছাই প্রক্রিয়ার অভিযোগে অনেক সাধারণ পরীক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে পরীক্ষা না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) ডোমার উপজেলা পরিষদে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের প্রধান অভিযোগসমূহ:
স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ভাইভা নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক পরীক্ষার্থী দেরিতে পৌঁছে কর্মকর্তা কিংবা দলীয় নেতাদের সুপারিশে আগে পরীক্ষা দিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন।
সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তার পরিচিত অনেক পরীক্ষার্থীর ভাইভা না নিয়েই বা নামমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সেরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী সিলেকশন করা হচ্ছিল এবং ভাইভার বিষয়টি স্রেফ একটি 'ফর্মালিটি' বা নাটক ছিল।
অভিযোগের ব্যাপারে ডোমার উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ অনিয়মের কথা অস্বীকার করে জানান, সেখানে কোনো দুর্নীতি করার সুযোগ ছিল না। অন্যদিকে, ডোমার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কামরুজ্জামানের সাথে মোবাইল ও খুদে বার্তায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন