ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ভরশেখর গ্রামে স্বামী-পরিত্যক্তা ও পিতা-মাতাহীন এক আংশিক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী (৪০) ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী বিবাহিত দুই সন্তানের জনক মেহেদী শেখ (২৭) তাঁকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের মাধ্যমে এই অবস্থা ঘটিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর খালা ও মামার দাবি, প্রতিবেশীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করার সুযোগে ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মেহেদীর পরিবার থেকে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও উঠেছে।
অভিযুক্ত মেহেদী শেখ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, তাঁর বাবা অহিদ শেখ এবং ইউপি সদস্য রিজাউল হোসেন বিষয়টির সত্যতা প্রমাণের জন্য ডিএনএ ও মেডিকেল পরীক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুযায়ী শাস্তির দাবি জানান।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও অভিযুক্ত মেহেদীকে আটকের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ভরশেখর গ্রামে স্বামী-পরিত্যক্তা ও পিতা-মাতাহীন এক আংশিক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী (৪০) ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী বিবাহিত দুই সন্তানের জনক মেহেদী শেখ (২৭) তাঁকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের মাধ্যমে এই অবস্থা ঘটিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর খালা ও মামার দাবি, প্রতিবেশীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করার সুযোগে ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মেহেদীর পরিবার থেকে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও উঠেছে।
অভিযুক্ত মেহেদী শেখ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, তাঁর বাবা অহিদ শেখ এবং ইউপি সদস্য রিজাউল হোসেন বিষয়টির সত্যতা প্রমাণের জন্য ডিএনএ ও মেডিকেল পরীক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুযায়ী শাস্তির দাবি জানান।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও অভিযুক্ত মেহেদীকে আটকের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন