ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল পৌর শহরের তারাগণ এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জামশেদ শাহের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরের রাধানগর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ নভেম্বর আখাউড়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শাকিল বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় ১৩৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারে নাম থাকায় তার বিরুদ্ধে এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এজাহারভুক্ত আসামি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মামলার পলাতক ও এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল পৌর শহরের তারাগণ এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জামশেদ শাহের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরের রাধানগর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ নভেম্বর আখাউড়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শাকিল বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় ১৩৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারে নাম থাকায় তার বিরুদ্ধে এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এজাহারভুক্ত আসামি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মামলার পলাতক ও এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন