দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় সাধারণ মানুষের কষ্টের সীমা নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। জীবনযাত্রার এই চরম নাভিশ্বাসের দিনে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ এসেছে, যা সাধারণ মানুষকে এক নতুন দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে প্রায় ৯ টাকা ২৭ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেলের দামও বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠে আসে—বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?
যখন মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো দৈনন্দিন হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখনই রান্নার অন্যতম মৌলিক অনুষঙ্গ সয়াবিনের দাম বাড়ানো তাদের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেবে।
মূল্যবৃদ্ধি যদি ব্যবসায়িক বা প্রযুক্তিগত কারণে অনস্বীকার্যও হয়, তবে কেবল আন্তর্জাতিক বাজার বা আমদানি খরচ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া কাম্য নয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা বিরূপ প্রভাব পড়বে—সেই অভ্যন্তরীণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন, তারা যেন দেশের আপামর জনতার ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মুনাফা বা ব্যবসার হিসাবের চেয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও বেঁচে থাকার সংগ্রামকে প্রাধান্য দেওয়াই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় সাধারণ মানুষের কষ্টের সীমা নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। জীবনযাত্রার এই চরম নাভিশ্বাসের দিনে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ এসেছে, যা সাধারণ মানুষকে এক নতুন দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে প্রায় ৯ টাকা ২৭ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেলের দামও বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠে আসে—বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?
যখন মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো দৈনন্দিন হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখনই রান্নার অন্যতম মৌলিক অনুষঙ্গ সয়াবিনের দাম বাড়ানো তাদের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেবে।
মূল্যবৃদ্ধি যদি ব্যবসায়িক বা প্রযুক্তিগত কারণে অনস্বীকার্যও হয়, তবে কেবল আন্তর্জাতিক বাজার বা আমদানি খরচ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া কাম্য নয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা বিরূপ প্রভাব পড়বে—সেই অভ্যন্তরীণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন, তারা যেন দেশের আপামর জনতার ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মুনাফা বা ব্যবসার হিসাবের চেয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও বেঁচে থাকার সংগ্রামকে প্রাধান্য দেওয়াই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

আপনার মতামত লিখুন