শরীয়তপুরের জাজিরায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বসতবাড়ির সেফটিক ট্যাংকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে সেফটিক ট্যাংকটি ফেটে ছাই হয়ে যায় এবং তীব্র শব্দে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী উজ্জামাল হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বিস্ফোরণের সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে বিস্ফোরকসদৃশ বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখে।
জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে আগেই বিপুল পরিমাণ ককটেল কিংবা বিস্ফোরক দ্রব্য মজুদ করে রাখা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিস্ফোরিত হয়।
প্রবাসীর অনুপস্থিতিতে কারা বা কীভাবে এসব বিস্ফোরক সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
শরীয়তপুরের জাজিরায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বসতবাড়ির সেফটিক ট্যাংকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে সেফটিক ট্যাংকটি ফেটে ছাই হয়ে যায় এবং তীব্র শব্দে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী উজ্জামাল হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বিস্ফোরণের সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে বিস্ফোরকসদৃশ বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখে।
জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে আগেই বিপুল পরিমাণ ককটেল কিংবা বিস্ফোরক দ্রব্য মজুদ করে রাখা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিস্ফোরিত হয়।
প্রবাসীর অনুপস্থিতিতে কারা বা কীভাবে এসব বিস্ফোরক সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন