পাবনায় ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম ও মাহবুবুল হোসেন নিলয় হত্যা মামলার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামিসহ অনেকেই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এবং হুমকি দিলেও তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও তথ্য দিতে অনীহা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের সংগঠকেরা।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খানের গুলিতে দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় তৎকালীন সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স ও আবু সাঈদসহ ১০৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শহীদ জাহিদের বাবা।
পরবর্তীতে পুলিশ ১৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়। তবে কতজন আসামি বর্তমানে কারাবন্দী, কতজন জামিনে কিংবা পলাতক—সে বিষয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কোনো সুস্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, আসামিরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তাঁদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতারাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের পাশাপাশি প্রতিটি শহীদ পরিবারকে ১ কোটি টাকা আর্থিক পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, নবনিযুক্ত পাবনা পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
পাবনায় ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম ও মাহবুবুল হোসেন নিলয় হত্যা মামলার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামিসহ অনেকেই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এবং হুমকি দিলেও তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও তথ্য দিতে অনীহা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের সংগঠকেরা।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খানের গুলিতে দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় তৎকালীন সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স ও আবু সাঈদসহ ১০৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শহীদ জাহিদের বাবা।
পরবর্তীতে পুলিশ ১৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়। তবে কতজন আসামি বর্তমানে কারাবন্দী, কতজন জামিনে কিংবা পলাতক—সে বিষয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কোনো সুস্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, আসামিরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তাঁদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতারাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের পাশাপাশি প্রতিটি শহীদ পরিবারকে ১ কোটি টাকা আর্থিক পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, নবনিযুক্ত পাবনা পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন