সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ৩০ বছর বয়সী যুবক ওয়্যাং সুলিন। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের স্নাতক পড়ুয়া তরুণী নাজমিন আক্তার লিজাকে বিয়ে করেছেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর ওই চীনা যুবকের নাম রাখা হয়েছে মো. নুর উদ্দিন।
কনে নাজমিন আক্তার লিজা মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় হলেও পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করছেন। অন্যদিকে বর ওয়্যাং সুলিন চীনের লুবেই প্রদেশের বাসিন্দা এবং পেশায় রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সম্মতিতে গত ১৮ জুলাই চীন থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান সুলিন। সেখান থেকে লিজার স্বজনেরা তাকে মোহনগঞ্জে নিয়ে যান।
গত ২১ জুলাই স্থানীয় আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করে ধর্মান্তর ও বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা পূর্ণ করতে আগামী ৩১ জুলাই জমকালো বিয়ের আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদেশি পাত্রের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা হিসেবে কনের পরিবার চীনা দূতাবাসে গিয়ে সমস্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করেছেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের সাথে পরামর্শ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বর চীনে ফিরে গিয়ে লিজার ভিসা ও কাগজপত্র প্রস্তুত করে তাকে নিয়ে যাবেন। এই বিদেশি জামাইকে এক নজর দেখতে স্থানীয় উৎসুক মানুষ লিজাদের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ৩০ বছর বয়সী যুবক ওয়্যাং সুলিন। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের স্নাতক পড়ুয়া তরুণী নাজমিন আক্তার লিজাকে বিয়ে করেছেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর ওই চীনা যুবকের নাম রাখা হয়েছে মো. নুর উদ্দিন।
কনে নাজমিন আক্তার লিজা মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় হলেও পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করছেন। অন্যদিকে বর ওয়্যাং সুলিন চীনের লুবেই প্রদেশের বাসিন্দা এবং পেশায় রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সম্মতিতে গত ১৮ জুলাই চীন থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান সুলিন। সেখান থেকে লিজার স্বজনেরা তাকে মোহনগঞ্জে নিয়ে যান।
গত ২১ জুলাই স্থানীয় আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করে ধর্মান্তর ও বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা পূর্ণ করতে আগামী ৩১ জুলাই জমকালো বিয়ের আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদেশি পাত্রের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা হিসেবে কনের পরিবার চীনা দূতাবাসে গিয়ে সমস্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করেছেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের সাথে পরামর্শ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বর চীনে ফিরে গিয়ে লিজার ভিসা ও কাগজপত্র প্রস্তুত করে তাকে নিয়ে যাবেন। এই বিদেশি জামাইকে এক নজর দেখতে স্থানীয় উৎসুক মানুষ লিজাদের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন