ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সাথে একই অভিযোগে বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার ভিত্তিতে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, একই প্রতিবেদনের আলোকে অধ্যাপক রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলাদা একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মেসেঞ্জারে অশালীন বার্তা ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রাথমিক অভিযোগের পর তাকে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল এবং সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় তার চাকরি স্থায়ীভাবে চ্যুত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
অন্যদিকে, বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এর আগে তাকে দুই বছরের জন্য একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। সর্বশেষ তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে এই নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
শিক্ষকদের যৌন হয়রানি এবং বিজয়’২৪ হলের ছাত্রীদের শৌচাগারে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে গত ২৩ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
২৫ জুলাই প্রশাসনের সাথে বৈঠকের পর ভবনগুলোর তালা খোলা হলেও শিক্ষার্থীরা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণায় অনড় থাকেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সাথে একই অভিযোগে বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার ভিত্তিতে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, একই প্রতিবেদনের আলোকে অধ্যাপক রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলাদা একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মেসেঞ্জারে অশালীন বার্তা ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রাথমিক অভিযোগের পর তাকে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল এবং সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় তার চাকরি স্থায়ীভাবে চ্যুত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
অন্যদিকে, বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এর আগে তাকে দুই বছরের জন্য একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। সর্বশেষ তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে এই নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
শিক্ষকদের যৌন হয়রানি এবং বিজয়’২৪ হলের ছাত্রীদের শৌচাগারে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে গত ২৩ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
২৫ জুলাই প্রশাসনের সাথে বৈঠকের পর ভবনগুলোর তালা খোলা হলেও শিক্ষার্থীরা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণায় অনড় থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন