পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় যুবদল নেতা ও পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন বাবুলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত, গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ভাণ্ডারিয়া বাসস্ট্যান্ডের কালেমা চত্বরে উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা জানান, গত ২৩ জুলাই দিনগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে একদল সন্ত্রাসী জিয়া উদ্দিন বাবুলের বসতঘরে প্রবেশ করে। তিনি বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ঘরের আঙিনায় টেনে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম নিয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
বক্তারা বলেন, গভীর রাতে ঘরে ঢুকে একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. শামীম হাওলাদারের পরিচালনায় সভায় যুবদল নেতা নাজমুল হাসান আরিফ, আনিচুর রহমান অলি আকন, পৌর যুবদলের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান মুন্সী, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, তালুকদার আহম্মেদ মারুফ, শ্রমিক দল নেতা মো. আল আমিন মুন্সী এবং ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম হোসেন হিরন ও রিয়াজুল ইসলাম শাহীরাজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় যুবদল নেতা ও পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন বাবুলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত, গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ভাণ্ডারিয়া বাসস্ট্যান্ডের কালেমা চত্বরে উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা জানান, গত ২৩ জুলাই দিনগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে একদল সন্ত্রাসী জিয়া উদ্দিন বাবুলের বসতঘরে প্রবেশ করে। তিনি বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ঘরের আঙিনায় টেনে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম নিয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
বক্তারা বলেন, গভীর রাতে ঘরে ঢুকে একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. শামীম হাওলাদারের পরিচালনায় সভায় যুবদল নেতা নাজমুল হাসান আরিফ, আনিচুর রহমান অলি আকন, পৌর যুবদলের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান মুন্সী, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, তালুকদার আহম্মেদ মারুফ, শ্রমিক দল নেতা মো. আল আমিন মুন্সী এবং ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম হোসেন হিরন ও রিয়াজুল ইসলাম শাহীরাজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন