নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীতে মিলল লাশ

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীতে মিলল লাশ

গোপালগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মধুমতি নদী থেকে নাফিস আশরাফ (২২) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাফিস আশরাফ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর ইসলামপাড়া এলাকার আশরাফুল ইসলাম শরীফের ছেলে। তিনি ঢাকার গ্রিন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কাউকে কিছু না জানিয়ে এবং মোবাইল ফোন বাসায় রেখে বাড়ি থেকে বের হন নাফিস। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিখোঁজের তথ্য ছড়িয়ে দেন।

নাফিসের মামাতো ভাই মিঠুন হাসান জাকারিয়া বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক পোস্টে জানান, নাফিসের সঙ্গে পরিবারের কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ছিলেন। একই সঙ্গে সন্ধান পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান।

শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নাফিস আশরাফের বলে শনাক্ত করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বিষয় : নিখোঁজের দুই দিন পর নদীতে মিলল লাশ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নিখোঁজের দুই দিন পর নদীতে মিলল লাশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মধুমতি নদী থেকে নাফিস আশরাফ (২২) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাফিস আশরাফ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর ইসলামপাড়া এলাকার আশরাফুল ইসলাম শরীফের ছেলে। তিনি ঢাকার গ্রিন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কাউকে কিছু না জানিয়ে এবং মোবাইল ফোন বাসায় রেখে বাড়ি থেকে বের হন নাফিস। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিখোঁজের তথ্য ছড়িয়ে দেন।

নাফিসের মামাতো ভাই মিঠুন হাসান জাকারিয়া বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক পোস্টে জানান, নাফিসের সঙ্গে পরিবারের কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ছিলেন। একই সঙ্গে সন্ধান পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান।

শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নাফিস আশরাফের বলে শনাক্ত করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত