সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আবদুল আউয়াল দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড ছিল দীর্ঘমেয়াদি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফল। এক লিখিত প্রবন্ধে তিনি এ দাবি করেন।
প্রবন্ধে তিনি প্রয়াত সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড’সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি লেখকের গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ১৯৬৯ সাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বিভিন্ন কূটনৈতিক দলিলে উঠে আসে। স্বাধীনতার পরও এ ষড়যন্ত্র অব্যাহত ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আউয়াল তার লেখায় আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন বই ও প্রকাশিত দলিলে তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বিদেশি কূটনৈতিক তৎপরতা এবং কয়েকজন দেশি-বিদেশি ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে নানা দাবি ও বিশ্লেষণ রয়েছে। তিনি এসব সূত্রের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ধরেন।
এছাড়া তিনি অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের Bangladesh: A Legacy of Blood গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে বসবাসকারী এক ব্যক্তিকে ঘিরে উত্থাপিত একটি দাবির কথাও উল্লেখ করেন। তবে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট গ্রন্থে বর্ণিত দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
ড. আউয়াল বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা, প্রকাশিত দলিল ও ঐতিহাসিক নথি নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে বর্ণিত বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য ড. আবদুল আউয়ালের বক্তব্য এবং তিনি উদ্ধৃত গ্রন্থগুলোর দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। এগুলোর সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়গুলো নিয়ে ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আবদুল আউয়াল দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড ছিল দীর্ঘমেয়াদি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফল। এক লিখিত প্রবন্ধে তিনি এ দাবি করেন।
প্রবন্ধে তিনি প্রয়াত সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড’সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি লেখকের গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ১৯৬৯ সাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বিভিন্ন কূটনৈতিক দলিলে উঠে আসে। স্বাধীনতার পরও এ ষড়যন্ত্র অব্যাহত ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আউয়াল তার লেখায় আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন বই ও প্রকাশিত দলিলে তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বিদেশি কূটনৈতিক তৎপরতা এবং কয়েকজন দেশি-বিদেশি ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে নানা দাবি ও বিশ্লেষণ রয়েছে। তিনি এসব সূত্রের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ধরেন।
এছাড়া তিনি অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের Bangladesh: A Legacy of Blood গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে বসবাসকারী এক ব্যক্তিকে ঘিরে উত্থাপিত একটি দাবির কথাও উল্লেখ করেন। তবে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট গ্রন্থে বর্ণিত দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
ড. আউয়াল বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা, প্রকাশিত দলিল ও ঐতিহাসিক নথি নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে বর্ণিত বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য ড. আবদুল আউয়ালের বক্তব্য এবং তিনি উদ্ধৃত গ্রন্থগুলোর দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। এগুলোর সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়গুলো নিয়ে ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন